ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: এ আই
ভোরে সাতক্ষীরায় আর রাতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ভূকম্পন অনুভুত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে অনুভূত হয় এই ভূকম্পন। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। আর উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
ইউরো মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সিত্তে থেকে ১১৬ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং ইয়েনাংইয়াং এলাকা থেকে ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৩ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের ইয়েনাংইয়াংয়ের ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২ দশমিক ৭ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদ জুলফিকার আলি রিপন জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকা। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূমিকম্পটির প্রভাব ছিল তুলনামূলকভাবে মৃদু। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, সাতক্ষীরা জেলায় আগেও ভূমিকম্প অনুভূত হলেও জেলার ভেতরে এর কেন্দ্রস্থল ছিল, এমন কোনো রেকর্ড নেই। অর্থাৎ, এই প্রথম সাতক্ষীরা জেলার অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত হলো।