নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও আয়কর আইনজীবী মোঃ জুয়েল আক্তার মুন্সী সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ইছালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। তার ব্যাপক জনসমর্থন দেখে একটি প্রভাবশালী চক্র তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মনোহরপুর বাজারে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাস, বিএনপি নেতা সুইট, নাসির, শহীদ, আশরাফুল, কৃষকদল নেতা আবদুল হালিম ও আশরাফ বিশ্বাসসহ আনুমানিক ২৫-৩০ জন লোক তার প্রতিবেশী সাইফুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে চড়াও হন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বাড়িতে এসে গালিগালাজ করেন এবং চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দাবির কারণ জানতে চাইলে সাইফুজ্জামানের পারিবারিক বিরোধ ও তালাকসংক্রান্ত দেনমোহরের চার লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ তোলা হয়।
প্রকৃত ঘটনা ব্যাখ্যা করে আইনজীবী জুয়েল মুন্সী বলেন, প্রায় তিন মাস আগে সাইফুজ্জামান তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের সূত্র ধরে তার কাছে আইনি সহযোগিতা চান। একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি সহায়তার আশ্বাস দেন এবং পরবর্তীতে ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে নিশি খাতুনের সাথে আলোচনার চেষ্টা করেন, যদিও নিশি খাতুন থানায় উপস্থিত হননি। পরে জানতে পারেন, গত ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় দেনমোহরের চার লাখ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে তাদের তালাক সম্পন্ন হয়। ওই লেনদেন বা ঘটনার সঙ্গে তার কোনো আর্থিক বা ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং নিশি খাতুনের সঙ্গে তার কখনো সরাসরি দেখাও হয়নি। নিশি খাতুন নিজেও সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।