Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৪ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বেকারি মালিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা

বাসার রান্নাঘর পরিষ্কার রাখি, খাবার ঢেকে রাখি; হোটেল-বেকারিতে খাবার কেন আলগা রাখা হয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : সোমবার, ৪ মে,২০২৬, ১২:৫০ পিএম
বাসার রান্নাঘর পরিষ্কার রাখি, খাবার ঢেকে রাখি; হোটেল-বেকারিতে খাবার কেন আলগা রাখা হয়?

যশোরে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য ‘উত্তম উৎপাদন অনুশীলন’ (GMP) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যশোর ক্লাব মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিন। ছবি: ধ্রুব নিউজ

যশোরে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য ‘উত্তম উৎপাদন অনুশীলন’ (GMP) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকালে যশোর ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ‘পরিদর্শন, নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়মূলক কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ’ (STIRC) প্রকল্পের আয়োজনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) ইরুফা সুলতানা ব্যবসায়ীদের নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বাসার রান্নাঘর পরিষ্কার রাখি, খাবার ঢেকে রাখি। কিন্তু হোটেল বা বেকারিতে খাবার কেন আলগা রাখা হয়? এটা কি আমাদের দায়িত্বের অবহেলা নয়?”

​তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি যশোরে ভেজাল মধু এবং কেশবপুরে গরুর অস্তিত্বহীন ‘ভেজাল দুধ’ তৈরির প্রমাণ পাওয়া গেছে। খাবারে টেক্সটাইল কালার ব্যবহারের ফলে ঘরে ঘরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ছে। নিজের সন্তান ও পরিবার যে খাবার খেতে পারবে না, তা অন্যকে খাওয়ানো উচিত নয়। গুটিকয়েক মানুষের অনিয়মের জন্য যেন পুরো ব্যবসায়ী সমাজের বদনাম না হয়, সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর যশোরের জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার আদ্দা আন সিনা বলেন, “যশোরের বেকারি সেক্টর অনেক বড় এবং এখানকার পণ্য আশেপাশের জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হয়। তাই এই খাতের উৎপাদকদের সচেতন করতে পারলে নিরাপদ খাদ্যের একটি বড় অংশ নিশ্চিত করা সম্ভব। ৩০ জনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বেকারি মালিকদের ব্যাপক আগ্রহের কারণে প্রায় ৪০ জন এতে অংশ নিচ্ছেন। তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি তাদের একটি বেকারিতে নিয়ে গিয়ে হাতে-কলমে (Practical) প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

​জাইকা-এসটিআইআরসি (STIRC) প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রোগ্রামার মোহাম্মদ মাসুদ আলম জানান, কেবল মুখরোচক খাবার তৈরি করলেই হবে না, তা যেন স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করে তা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল কাজ। তিনি উল্লেখ করেন, মাঠ থেকে ভোক্তার টেবিল পর্যন্ত বিশাল শৃঙ্খলে জাইকা ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ফুড প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে নিরাপদ করতে কাজ করে যাচ্ছে।

​কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার মিস মানা ইশিকাওয়া, খাদ্য নিরাপত্তা পরামর্শদাতা ও প্রশিক্ষক শাহ আরাফাত রহমান এবং সহযোগী পরামর্শদাতা ইউনুস আলী।

​দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ আগামীকাল ৫ মে সমাপ্ত হবে। অংশগ্রহণকারী বেকারি মালিকরা এই শিক্ষার মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ খাদ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ধ্রুব/এস.আই

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)