হাসিবুল ইসলাম, বাঘারপাড়া (যশোর) থেকে
❒ টি এস আইয়ুবের পোস্ট। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলার বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলের শুনানি সোমবারও অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর নির্বাচন ভবনে ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই শুনানি চলে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। যশোর জেলা থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী আপিল করলেও শেষ পর্যন্ত ৫ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বিপরীতে ৩ জনের মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে অবৈধ হয়েছে এবং ২ জনের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
শুনানি শেষে যশোর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারহান সাজিদ (টিএস আইয়ুবের পুত্র) তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর আগের তিন দিনের শুনানিতে বৈধতা পান জাতীয় পার্টির ৩ প্রার্থী: মো. জহুরুল হক (যশোর-৪), এম. এ হালিম (যশোর-৫) ও জি.এম হাসান (যশোর-৬)। এছাড়া যশোর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্রও বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।
যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জি. টিএস আইয়ুব শেষ পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে পাননি। ঢাকা ব্যাংকে ঋণখেলাপির দায়ে গত ৪ জানুয়ারি তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। ১৩ জানুয়ারির শুনানিতেও সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। তার পাশাপাশি যশোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান আলী গোলদার ও যশোর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্র অবৈধ থেকে যাওয়ায় তারা নির্বাচনী রেস থেকে ছিটকে পড়েছেন।
যশোর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান এবং যশোর-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের রায়ের জন্য আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
যশোর-৪ আসনে টিএস আইয়ুবের প্রার্থিতা ফিরে না পাওয়ায় বাঘারপাড়া ও অভয়নগর এলাকার তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। তবে আশাহত না হয়ে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আইয়ুব। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বলেন, প্রিয় নেতৃবৃন্দ, আমি সব সময় বলছি আমাদের মামলা চলমান। ১৬ ও ১৭ তারিখের মধ্যে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারবো। সবাই শান্ত ও দোয়ায় থাকবেন।