ধ্রুব রিপোর্ট
সাব রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরি দেয়ার নামে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ট্যাস্ক কালেক্টর খতেজা বেগম রিতার বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আড়িয়ারা গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে যশোর শহরের আরএন রোডের বাসিন্দা শেখ সাদি বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির নামে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
আসামির রিতা ঠাকুরগাঁও সদরের মুন্সিপাড়ার জুয়েলের স্ত্রী ও মৃত আব্দুল খালেকের মেয়ে। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ট্যাস্ক কালেক্টর (টিসি) পদে কর্মরত আছেন। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, শেখ সাদির দুলাভাইয়ের ঠাকুরগাঁওয়ের বাসার প্রতিবেশী হওয়ায় আসমি রিতার সাথে পরিচয়। শেখ সাদির স্ত্রীর লেখাপাড়া শেষ হওয়ায় আসামি তার অফিসে চাকরি দেয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি হলে শেখ সাদির কাছে আসামি রিতা ১২ লাখ টাকা দাবি করে। চাকরির জন্য রিতাকে দুই দফায় ৮ লাখ টাকা দেয়া হয়।
এ সময় আসামি রিতা ৬ মাসের মধ্যে তাকে চাকরি দিবে বলে একটি চুক্তিনামা করে। পরবর্তীতে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে রিতার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।