Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইরান ইস্যু: মার্কিন কাউন্টারটেরোরিজম প্রধানের পদত্যাগ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ মার্চ,২০২৬, ০৬:৪৮ এ এম
ইরান ইস্যু: মার্কিন কাউন্টারটেরোরিজম প্রধানের পদত্যাগ

জোসেফ কেন্ট ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর আকস্মিক হামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কমর্কর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত বারবার বদলাতে থাকায় বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। অনেকে বলছিলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের ওপর এই হামলার সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এককভাবেই নিয়েছেন। এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও অস্বস্তির মধ্যেই তার প্রশাসনে ফাটল প্রকাশ্য হয়ে পড়েছে। চলমান সামরিক আগ্রাসনের বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদত্যাগ করেছেন ইউএস ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের প্রধান জোসেফ কেন্ট।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতর থেকে ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জোরালো প্রতিবাদ। জোসেফ কেন্ট প্রথম কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যিনি সরাসরি ইরান যুদ্ধের বিরোধিতাকারী।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে কেন্ট এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলেন, ‘আমি বিবেকের তাড়নায় এই ইরান যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল না।

পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েল ও তাদের প্রভাবশালী লবির চাপের কারণে আমরা এই যুদ্ধে জড়িয়েছি।’

নিজের এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সেও প্রকাশ করেছে কেন্ট। তার পদত্যাগের এ খবরে বিস্মিত হয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিষয়টি তাদের অনেকটাই অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলেছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বর্তমান আইনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু করতে হলে ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ থাকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু ইরানকে নিয়ে তেমন কিছুই ছিল না।

ফলত, এতদিন ধরে বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আগ্রাসনে তার ইউরোপীয় মিত্রদের সমর্থন থাকলেও এবারের ইরান যুদ্ধে তাদেরও পিছুটান চোখে পড়ছে। এমনকি ট্রাম্প বারবার তাদের যুদ্ধে জড়ানোর আহ্বান জানালেও যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ অনেক দেশ খোলাখুলি বলে আসছে, এই যুদ্ধ তাদের নয়। স্পেন তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করে যেন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে না পারে, সেজন্য মার্কিন যুদ্ধবিমানকেও বের করে দিয়েছে।

এরই মধ্যে ইরানের প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নানা দুর্বলতা প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। ফলে ইরানে হামলার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ইসরায়েলি মিত্র বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু সোজাসাপ্টা কোনো অবস্থান দেখাতে পারছেন না তারা।

এমন অস্বস্তিকর অবস্থায় আগুনে ঘি ঢালার মতো কেন্টের পদত্যাগের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস। একইভাবে, জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ও (অফিস অব দ্য ডিরেক্টরঅব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স) এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

জোসেফ কেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ডের। তবে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তিনি তুলনামূলকভাবে নীরব। এখন পর্যন্ত গ্যাবার্ড প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি। কেবল চলতি মাসের শুরুতে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর আনুষ্ঠানিকতা ডিগনিফায়েড ট্রান্সফারে তাকে প্রকাশ্যে দেখা গেছে।

ধ্রুব/এস.আই

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)