Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

‘মা গো, মা গো চিৎকার’, এরপর কেটে যায় কল

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট,২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
‘মা গো, মা গো চিৎকার’, এরপর কেটে যায় কল

সৌদি আরবে গুলি করে এক বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. কামরুল জামান (৩৭)। গতকাল রোববার সৌদি আরবের তায়েফ শহরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিহত ব্যক্তির পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

নিহত মো. কামরুল জামানের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবপুর গ্রামে। বিবাহিত কামরুল দুই ছেলের জনক ছিলেন। তার স্ত্রী ও সন্তানেরা গ্রামের বাড়িতেই থাকেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল ভোরে স্ত্রী হালিমা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন কামরুল। এ সময় তাকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি ঘটে। স্ত্রী মুঠোফোনের অপর প্রান্ত থেকে সর্বশেষ স্বামীর ‘মা গো, মা গো’ চিৎকার শুনতে পান। এরপর কল কেটে যায়।

সৌদি আরবে থাকা স্বজনদের বরাতে পরিবারের সদস্যরা বলেন, মুঠোফোনে কথা বলার সময় এক ব্যক্তি কামরুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। প্রাণ বাঁচাতে কামরুল দৌড়ে একটি বিপণিবিতানে ঢুকে পড়েন। তখন অস্ত্রধারী ব্যক্তি সেখানে ঢুকে কামরুলকে গুলি করে হত্যা করেন। এরপর হামলাকারী নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে কামরুল বিদেশে যান আড়াই বছর আগে। তার বাবা পেশায় কৃষক। ধারদেনা করে কামরুল সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। এখনো সব দেনা শোধ করতে পারেননি। এর মধ্যেই কামরুলের মৃত্যুর খবরে তার বাড়ি স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে।

কামরুলের চাচাতো ভাই মো. সোলেমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘কামরুল সৌদি আরবের তায়েফ শহরের একটি বিপণিবিতানে চাকরি করতেন। গতকাল ভোরে ডিউটি শেষ করে বিপণিবিতানের সামনে দাঁড়িয়েই মুঠোফোনে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। এরই মধ্যে হঠাৎ এক সৌদি তরুণ তাকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পরে কামরুল বিপণিবিতানের ভেতরে ঢুকে পড়লে সেখানে ঢুকে তাকে তিনটি গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান কামরুল। পরে ওই সৌদি তরুণও নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন বলে শুনেছি।’ মো. সোলেমান আরও বলেন, ‘কী কারণে কামরুলকে গুলি করা হলো, তা জানা সম্ভব হয়নি। কামরুলের মৃত্যুর খবরে তার পরিবারে শোকের মাতম চলছে।’

কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবু নাসের চৌধুরী বলেন, ‘কৃষক বাবার সন্তান কামরুল জীবিকার জন্য ধারদেনা করে আড়াই বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছেন। সেখানে তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে গেল।’

জানতে চাইলে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আজ সোমবার দুপুরে বলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার বিষয়ে জেনেছেন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি জানেন না।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)