Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ পুলিশ

❒ গাড়িতে আগুন, টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ফাঁকা গুলি

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ মে,২০২৬, ১২:৫৬ এ এম
চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ পুলিশ

চট্টগ্রাম নগরে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে থানায় নিতে গিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকতে হয় পুলিশকে। বৃহস্পতিবার রাতে। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে থানায় নিতে গিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকতে হয় পুলিশকে। কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, ফাঁকা গুলি ছুড়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে কৌশলে ওই ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে বিকেল চারটার দিকে আটক করে পুলিশ। তাকে থানায় নেওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে শত শত মানুষ পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে অবস্থান নেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রাত আটটার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে

ঘটনার শিকার শিশুটির এক আত্মীয় বলেন, ‘আমরা ধর্ষকের ফাঁসি চাই। পুলিশের হাতে দেব না।’

রাত সোয়া ১০টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুলিশ কৌশলে অভিযুক্তকে একটি ভবন থেকে বের করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চলে যায়। এরপরও উত্তেজিত লোকজন সড়কে অবস্থান নেন এবং আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন সড়কে অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের ভাষ্য, মামলা হলেও অভিযুক্ত কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে আসতে পারেন, আর বিচারপ্রক্রিয়াও দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে যাবে।

এদিকে বিকেলে স্থানীয় লোকজনের হাতে আটকের পর মনির হোসেন নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করছেন। তবে এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

আত্মরক্ষার্থে টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে দাবি করে নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ রাত সাড়ে ১০টার দিকে  বলেন, এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সুযোগে পুলিশ কৌশলে অভিযুক্তকে সরিয়ে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে তা জানাননি তিনি। আমিনুর রশিদ বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে এবং লোকজনকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)