নিজস্ব প্রতিবেদক
সন্ত্রাসী হামলায় আহত জহুরুল ইসলাম ও আল-আমিন। ছবি: সংগৃহীত
ঝিকরগাছা উপজেলায় যুব জামায়াতের একজন নেতা ও এক কর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ মে) দুপুরে উপজেলার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন— উপজেলা যুব জামায়াতের টিম সদস্য জহুরুল ইসলাম ও যুব সদস্য আল-আমিন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে ঝিকরগাছা উপজেলা মোড়ে যান জহুরুল ইসলাম। এ সময় সেখান থেকে কাকনের নেতৃত্বে রিয়েল, অনিক, পিনু, সাগর, রাসেল, রয়েল ও সোলাইমানসহ একদল ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঝিকরগাছা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা কেবল মারধরই করেনি, বরং জহুরুল ইসলামের মোটরসাইকেল জোরপূর্বক লিখে নেয় এবং তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝিকরগাছা এলাকায় জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিলেন জহুরুল ইসলাম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
এই ঘটনায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সাবিরা মুন্নীর পিএস কল্লোলকে হামলাকারীদের 'পরামর্শদাতা' হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারীরা। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কল্লোল বা অন্য কারও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্র জানিয়েছে হামলাকারীরা ঝিকরগাছা বিএনপি’র একাংশের ইন্দনে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা জহুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই হামলার ঘটনায় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় যশোর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করা হবে বলে উপজেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগ জানিয়েছে।
ধ্রুব/এস.আই