ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার ব্যবহত গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। মাছুম মোস্তফা অভিযোগ করেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। বিএনপির কর্মীরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি বলেন, মুসল্লিরা মসজিদের দরজা আটকে দেওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই।
জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত গাড়িতে করে গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান মাছুম মোস্তফা। সেখানে মাগরিবের নামাজের জন্য পাম্প সংলগ্ন মসজিদে অবস্থানকালে ১৫-২০টি মোটরসাইকেলে আসা একদল যুবক অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা এমপির গাড়ি ভাঙচুর করে এবং মসজিদের ভেতরে তাকে লক্ষ্য করে আক্রমণের চেষ্টা চালায়। দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ থাকার পর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এমপি মাছুম মোস্তফা বলেন, আমি মসজিদের ভেতর থেকেই পুলিশ সুপার ও ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে সহায়তা চাই।
মাছুম মোস্তাফা দাবি করেন, এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আগে থেকেই উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে মিছিল করা হচ্ছিল।
জামায়াতের এই এমপি জানান, এই হামলা একজন সংসদ সদস্যের মর্যাদার ওপর আঘাত। তিনি বলেন, ‘আগামী সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিশ দেব এবং হামলাকারী সন্ত্রাসীদের নাম সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করব।
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদার বলেন, ‘বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। মূলত পাম্প বন্ধ থাকাকে কেন্দ্র করে এমপির লোকজনের সঙ্গে পাম্প কর্মচারীদের কথা কাটাকাটি হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাদের ওপর মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।’
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম জানান, পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে একদল যুবক এমপির গাড়িতে হামলা চালিয়েছে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধ্রুব/এস.আই