Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

কোটচাঁদপুরে সার-বীজ গ্রহণেও জালিয়াতি

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ,২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
কোটচাঁদপুরে সার-বীজ গ্রহণেও জালিয়াতি

একজনের আইডিতে অন্য জনের ছবি আটা হয়েছে ছবি: ধ্রুব নিউজ

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি সার ও বীজ হাতিয়ে নিতে এক অভিনব জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। একজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপির ওপর অন্যজনের ছবি বসিয়ে সরকারি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল একটি চক্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তীক্ষ্ণ নজরে ধরা পড়ে গেছে এই জালিয়াতি।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার দুপুরে কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর ইউনিয়নে। সেখানে সরকারি আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণের সময় তালিকা যাচাই করছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মুশফিখা সোহেলী (মৌ)। নথিপত্র দেখার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, জমা দেওয়া এনআইডি কার্ডগুলোর তথ্যের সাথে ছবির কোনো মিল নেই। কাগজপত্রগুলো একটু ভালো করে পরীক্ষা করতেই বেরিয়ে আসে আসল কারসাজি। দেখা যায়, এনআইডি কার্ডে নাম-ঠিকানা একজনের, কিন্তু যে ছবি সরবরাহ করা হয়েছে তা অন্যজনের। এভাবে অসংখ্য ভুয়া কার্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

জালিয়াতির কারণে বাতিল হয়েছে এমন কয়েকটি কার্ড যাচাইকালে দেখা যায়, নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির এনআইডি কার্ডে অন্য একজনের ছবি লাগিয়ে জালিয়াতি করা হয়েছে। একইভাবে সাইফুল ইসলাম ও আব্দুল সাত্তার নামের দুই ব্যক্তির এনআইডি কার্ডের ফটোকপিতে অন্যের ছবি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা জানান, মো. ফারুক হোসেন পিয়াস নামে এক ব্যক্তির সরবরাহকৃত কার্ডের বেশিরভাগই জাল। সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে জালিয়াতি ধরা পড়ার পর কৃষি কর্মকর্তা তাকে বারবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ফারুক হোসেন পিয়াস আগেই তাদের কাছ থেকে আইডি কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহ করেছিলেন। তারা সরল বিশ্বাসে কাগজ দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই কাগজে যে এভাবে ছবি বদলে জালিয়াতি করা হবে, তা তারা কল্পনাও করেননি। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ফারুক হোসেন পিয়াস এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন এবং তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফারুক হোসেন পিয়াস জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কোটচাঁদপুর উপজেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. ফারুক হোসেন পিয়াসের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মুশফিখা সোহেলী (মৌ) স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার এবং প্রকৃত কৃষকের হক নষ্ট করার এই অপচেষ্টায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)