Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মাঠে মেসির সাথে তর্কের কারণ জানালেন বেলিংহাম

ক্রীড়া ডেস্ক ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই,২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই,২০২৬, ০২:০১ পিএম
মাঠে মেসির সাথে তর্কের কারণ জানালেন বেলিংহাম

মাঠে মেসির সাথে বেলিংহ্যামের তর্কের মুহূর্ত টি ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ সেমিফাইনালটি ছিল আক্ষরিক অর্থেই রোমাঞ্চ ও উত্তেজনায় ঠাসা। শারীরিক লড়াই, একের পর এক কড়া ট্যাকল আর ফাউলের এই ম্যাচে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহামের মধ্যকার একটি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের দৃশ্য। ম্যাচের একেবারে শুরুর দিকে ঘটা এই ঘটনাটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে বেলিংহামের দিকে মেসির সেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এবং এরপর মাথা নেড়ে সরে যাওয়ার দৃশ্যটি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দেয়। তবে ম্যাচ শেষে সেই ভাইরাল মুহূর্তের পেছনের আসল সত্যটি নিজেই খোলসা করেছেন ইংলিশ তারকা বেলিংহাম।

ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে ইংল্যান্ডের এই তরুণ মিডফিল্ডার জানান, এটি নেহাতই একটি ফাউল কেন্দ্রিক সাধারণ তর্ক ছিল। তিনি বলেন, "আমরা মূলত একটি ফাউল নিয়েই কথা বলছিলাম, এর বাইরে অন্য কোনো বিষয় ছিল না। আমি জানতাম যে সবাই এই ঘটনাটাকে তিল থেকে তাল বানানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু সত্যি বলতে, সেখানে আহামরি বা বিশেষ কিছুই ঘটেনি।" কথোপকথনের বিস্তারিত জানিয়ে বেলিংহাম আরও বলেন, "আমি তাকে বলছিলাম যে একটু আগেই আমাকে ফাউল করা হয়েছিল। তখন মেসি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, 'তাহলে আমার ওপর যে ফাউল হলো সেটার কী হবে?' উত্তরে আমি শুধু তাকে বলেছিলাম, 'তুমি তো এমনিতেই যথেষ্ট শক্তিশালী, এটা সহজেই সামলে নিতে পারবে।' ব্যস, আমাদের কথা ওখানেই শেষ।"

মাঠের এই প্রাথমিক উত্তেজনা অবশ্য ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি। খেলার ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের চমৎকার এক গোলে লিড নিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল ইংলিশরা। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট পর্যন্তও এই লিড অত্যন্ত শক্ত হাতেই ধরে রেখেছিল দলটি। কিন্তু বিশ্বকাপে যেন শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তাকে নিজেদের ট্রেডমার্ক বানিয়ে ফেলেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ঠিক ৮৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত এক পাস থেকে দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়িয়ে আলবিসেলেস্তেদের সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সেই মেসিরই বাতাসে ভাসিয়ে দেওয়া জাদুকরী ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি ফরোয়ার্ড হিসেবে মাঠে নামা লাউতারো মার্তিনেজ।

২-১ গোলের এই অভাবনীয় প্রত্যাবর্তনের সুবাদে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা টানা আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নেয়। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার চরম হতাশা থাকা সত্ত্বেও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির বিপক্ষে খেলাটাকে এক বিরাট সম্মান হিসেবেই দেখছেন বেলিংহাম। তার ভাষ্যমতে, "মেসির বিপক্ষে মাঠে নামাটা আমার জন্য সত্যিই এক বিশাল প্রাপ্তি। তার প্রতি আমার মনে বিন্দুমাত্র কোনো ক্ষোভ বা বিরূপ ধারণা নেই। সেমিফাইনাল হেরে যাওয়াটা নিশ্চিতভাবেই অনেক যন্ত্রণাদায়ক, কিন্তু এমন একজন কিংবদন্তির বিপক্ষে খেলতে পারাটাও ক্যারিয়ারের জন্য অনেক বড় এক সম্মান।"

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)