ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: ধ্রুব গ্রাফিক্স
চলতি বিশ্বকাপে গোলবন্যা বইয়ে দিচ্ছেন আর্লিং হালান্ড। নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার যে কতটা বিপজ্জনক, তা এবার স্পোর্টস ডাটা অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’-র সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। টুর্নামেন্টের প্রথম ৫ ম্যাচেই ৭ গোল করে গোলদাতার তালিকায় কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং লিওনেল মেসির ঠিক পেছনেই দ্বিতীয় স্থানে আছেন এই ফুটবল সেনসেশন।
তবে হাল্যান্ডকে বাকিদের চেয়ে আলাদা করেছে কেবল তাঁর গোলের সংখ্যা নয়, বরং গোল করার অবিশ্বাস্য বৈচিত্র্য। প্রথাগত নাম্বার নাইন বা বক্স স্ট্রাইকারদের মতো তিনি কেবল ডি-বক্সের ভেতর ওয়ান-টাচ ফিনিশিং কিংবা ক্রসের ওপর নির্ভরশীল নন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে যেকোনো পরিস্থিতিতে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সব রকম অস্ত্রই রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
পরিসংখ্যানে হাল্যান্ডের গোল-বৈচিত্র্য:
এই নিখুঁত পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, মাঠের যেকোনো পজিশন বা যেকোনো কোণ থেকে গোল করতে পারঙ্গম তিনি। ডান পা, বাঁ পা কিংবা হেড—প্রতিটি বিভাগেই তিনি সমান পারফেক্ট। গোল করার জন্য তাঁর নির্দিষ্ট কোনো পরিস্থিতির প্রয়োজন হয় না, বরং যেকোনো সুযোগকেই তিনি পরিণত করতে পারেন নিখুঁত গোলে। আর ফুটবল মাঠে তাঁর এই অতিমানবীয় এবং বহুমুখী দক্ষতাই বর্তমান বিশ্বের যেকোনো ডিফেন্ডারের জন্য তাঁকে এক মূর্তিমান দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
আগামীকাল ভোর ৩ টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে নরওয়ে। হালান্ডের একক পারফর্মেন্সের উপর ভর করে নরওয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছেছে। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হালান্ড জ্বলে উঠবেন কিনা তা সময়ই বলে দেবে।