ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বোলারদের ব্যর্থতার পর ব্যাটারদের চরম ভরাডুবিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের দেওয়া ১১০ রানের লক্ষ্য মাত্র ১১ ওভারেই টপকে গেছে অজিরা। ৭ উইকেটের এই বড় জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া।
আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অজি পেসার স্পেন্সার জনসন এবং নাথান এলিসের বোলিং তোপে মাত্র ৩৬ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ওপেনার তানজিদ হাসান ৫ এবং সাইফ হাসান মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। মিডল অর্ডারে নুরুল হাসান সোহান (৬) কিংবা শামীম হোসেনও (০) দলের হাল ধরতে পারেননি।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লড়াকু ইনিংস খেলেন তাওহীদ হৃদয়। অধিনায়কের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ৫১ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষদিকে রিশাদ হোসেনের ১৪ বলে ১৬ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন। এছাড়া অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিসও শিকার করেন ২টি করে উইকেট।
১১০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চড়াও হন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্ষ। ওপেনার জশ ইংলিশকে (১৭) সাথে নিয়ে পাওয়ারপ্লে-তেই দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। মার্ষ মাত্র ২৮ বলে ৭টি চার এবং ৪টি বিধ্বংসী ছক্কার সাহায্যে ৬০ রানের একটি টর্নেডো ইনিংস খেলেন।
মিডল অর্ডারে কুপার কনোলি ১৫ রান করে আউট হলেও শেষ দিকে ম্যাট রেনশ (৬*) এবং টিম ডেভিড মাত্র ৩ বলে ১২* রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ফলে ৫৪ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ এবং রিশাদ হোসেন ১টি করে উইকেট নেন। তবে রান আটকানোর ক্ষেত্রে কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ১০৯/৮ (২০ ওভার); তাওহীদ হৃদয় ৬১*, রিশাদ হোসেন ১৬। (স্পেন্সার জনসন ২/৬, অ্যাডাম জাম্পা ২/২২)।
অস্ট্রেলিয়া: ১১২/৩ (১১ ওভার); মিচেল মার্ষ ৬০, জশ ইংলিশ ১৭। (নাসুম আহমেদ ১/১০, শরিফুল ইসলাম ১/২৬)।
ফলাফল: অষ্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী (৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়)।