Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, ফুটবল মাঠ হলো রণক্ষেত্র

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ৯ মার্চ,২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, ফুটবল মাঠ হলো রণক্ষেত্র

রণক্ষেত্রময় ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শেষে মাঠ ছবি: সংগৃহীত


খেলার মাঠ যে রণ ক্ষেত্র হতে পারে তা ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল না দেখলে জানাই হতো না। সত্যি সত্যি গতকাল মিনেইরোতে সেই ফাইনাল শেষে মাঠ হয়ে উঠল এক রণক্ষেত্র। ক্রুজেইরো ও আতলেতিকো মাদ্রিদ—দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই ফুটবলীয় নান্দনিকতা ছাপিয়ে রূপ নিল এক গণপিটুনিতে। আর তাতে ফলাফল দাঁড়ালো রেফারির খাতায় একে একে ২৩টি লাল কার্ড!

খেলাটা জমে উঠেছিল। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে জুভেন্টাসের সাবেক স্ট্রাইকার কাইও হোর্হের গোলে লিড নেয় ক্রুজেইরো। সেই গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে আতলেতিকো মিনেইরো। খেলার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা মরণ পণ করে চেষ্টা চালিয়ে যায়। এরই মধ্যে ঘড়িতে অতিরিক্ত সময়ের কাটা যোগ হওয়া সময়ের ৬ষ্ঠ মিনিটে যেতেই শুরু সেই অনাকাঙ্ক্ষিত নাটক। ক্রুজেইরো উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ানের একটি ট্যাকল হজম করতে পারেননি আতলেতিকো গোলরক্ষক এভারসন। মেজাজ হারিয়ে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়লেন ক্রিস্টিয়ানের ওপর। এটা স্রেফ ধাক্কাধাক্কি ছিল না, তিনি হাঁটু দিয়ে চেপে ধরলেন প্রতিপক্ষের বুক। মুহূর্তের মধ্যে শান্ত গ্যালারি যেন আগ্নেয়গিরি হয়ে ফাটল।

এ ঘটনা দেখে চুপ থাকেননি ক্রুজেইরোর খেলোয়াড়রা।  সতীর্থকে বাঁচাতে দৌড়ে এলেন। এলঅমেলো হলো মাঠ।  ওদিকে ডাগআউট ছেড়ে মাঠে ঢুকলেন আতলেতিকোর ফুটবলাররা। এরপর যা হলো, তাকে আর যাই হোক ফুটবল বলা যায় না। কিল, চড়, ঘুষি আর ফ্লাইং কিকের মহড়া চলল টানা ১০ মিনিট। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, শেষ পর্যন্ত মাঠে ‘মিলিটারি পুলিশ’ তলব করতে হয়। পুলিশি পাহারায় ফুটবলারদের আলাদা করা হলেও উত্তাপ কমলো না একচুলও।

এই পরিস্থিতিতে ম্যাচের রেফারি মাতিউস কান্দানসান কোনোমতে পুলিশি নিরাপত্তায় মাঠ ছাড়েন। তখন কোনো কার্ড না দেখালেও পরে তার ম্যাচ রিপোর্টে জানান, এই ঘটনায় মোট ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। যার মধ্যে ১১ জন আতলেতিকোর এবং ১২ জন ক্রুজেইরোর ফুটবলার ও কর্মকর্তা।

স্মরণকালের এই বহিষ্কৃতদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম আতলেতিকো অধিনায়ক হাল্ক। ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি স্ট্রাইকার তার অতিমানবীয় পেশিশক্তির পুরোটা যেন ফুটবল নয়, প্রতিপক্ষকে ঘুষি মারতেই খরচ করেছেন। অবশ্য ম্যাচ শেষে  নিজের ভুল স্বীকারও করেছেন পোর্তো ও জেনিতের এই সাবেক তারকা। তবে তিনি আঙুল তুলেছেন রেফারির দিকেই।

অধিনায়ক হাল্ক বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই রেফারিকে বলছিলাম যে ম্যাচটা আপনার হাতে নেই। তার ব্যক্তিত্বের অভাব ছিল। যদি শুরুতেই দু-একজনকে বের করে দিতেন, তবে পরিস্থিতি এমন হতো না ‘ তিনি আরও জানান,‘ সতীর্থকে আক্রান্ত হতে দেখে রক্ত গরম হয়ে গিয়েছিল, নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারিনি। আমি দুঃখিত।’

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)