অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
অভয়নগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী মেলায় এমপি গোলাম রসুল ছবি: ধ্রুব নিউজ
তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাই এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ অভয়নগরে উদ্ভাবনী মেলায় এমপি গোলাম রসু তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীল উদ্যোগই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রসুল।
তিনি বলেন, দেশে বিপুল সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে নানা সামাজিক ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকের প্রতিভা বিকশিত হওয়ার আগেই হারিয়ে যায়। এসব মেধাকে বিকশিত করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে দেশ আরও দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।
শুক্রবার ( ১২ জুন ) উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
“মেধা, বিজ্ঞান ও উন্নয়নের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (SEDP), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকার উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, অভয়নগরের বাস্তবায়নে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন দীপু।
প্রধান অতিথি গোলাম রসুল বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে হলে প্রচার-প্রসার এবং প্রয়োজনীয় প্রণোদনা আরও বাড়াতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সরদার শরিফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান ফারাজী, সাধারণ সম্পাদক কাজী গোলাম হায়দার ডব্লিউ এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মহিউল ইসলাম।
প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্মার্ট হাউস, স্মার্ট বন্যা সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক প্রযুক্তি এবং অন্যান্য উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এ সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পগুলোর প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিচারকদের মূল্যায়নে আকিজ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রথম, কম্পিউটার লিটল জুয়েলস স্কুল দ্বিতীয় এবং শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।