Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

২০ কি.মি. যানজটে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ,২০২৬, ০১:২৪ পিএম
২০ কি.মি. যানজটে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

তীব্র যানজট এবং বৃষ্টিতে নাকাল হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল থেকে বৃষ্টি এবং যানজট মাথায় নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় হাজার হাজার যাত্রী।

বৃষ্টির পর রাতে গণপরিবহনের সংকট দেখা দেয় মহাসড়কে। একপর্যায়ে অনেকেই গ্রামের বাড়ি না ফিরতে পেরে আবার বাসায় চলে আসে। তারা আজ বৃহস্পতিবার আবার রওনা দেবে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ২০ কিলোমিটার তীব্র যানজট লেগে আছে। এছাড়া চন্দ্রা থেকে নবীনগরের দিকেও কয়েক কিলোমিটার যানজট বিদ্যমান। রাতের যানজট সরতে সরতে সকাল হয়ে গেছে।

আজ ভোরে যারা গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে তাদের অনেকেই কোনাবাড়ী পার হতেই মৌচাক ও সফিপুর এলাকার কাছাকাছি গিয়ে যানজটের কবলে পড়ে।

উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা হওয়া শাহিনা আক্তার নামে এক যাত্রী বলেন, ‘বুধবার ইফতারের পর রংপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম, কিন্তু প্রচণ্ড বৃষ্টি ও যানজটের কারণে বাস না পাওয়ায় আবার বাসায় ফিরে আসি। আজ ফের সাহরি খেয়ে বাসে উঠেছি। ভোগড়া বাইপাস থেকে দুই ঘণ্টায় চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত আসতে পেরেছি। বাকি পথ কী অবস্থা হবে, তা বলতে পারছি না।’

অপরদিকে গতকাল যেসব যাত্রীবাহী বাস উত্তরবঙ্গে গেছে, সেগুলো সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকায় বা গাজীপুরের দিকে ফিরে আসতে পারেনি। ফলে রাতে পরিবহনের সংকট দেখা দেয়।

যাত্রী নিয়ে সন্ধ্যায় যে বাসগুলো উত্তরবঙ্গের দিকে গেছে, সেগুলো পৌঁছাতে পৌঁছাতে সকাল হয়ে গেছে। দুপুরের পর ছাড়া ওই সব বাস আর গাজীপুর ফিরে আসতে পারবে না। এ কারণে সড়কে যাত্রীবাহী পরিবহনের সংখ্যা কিছুটা কম। তবে দুপুরের পর এই সংকট থাকবে না। যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না— বলছিলেন গাজীপুর সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চন্দ্রা মোড় এলাকায় অনেক বাসযাত্রী পরিবহনের জন্য একটি লাইন বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অনেক রিজার্ভ বাসও রয়েছে, যার কারণে ওই এলাকায় যানজটের একটি কারণ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার পোশাক কারখানাগুলোর চতুর্থ ধাপের ছুটি শুরু হবে। আজ ৮৩৩টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হবে। এবার ধাপে ধাপে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি হওয়ায় সড়কে যানজটের পরিমাণ কমে গেছে এবং যাত্রীরাও স্বচ্ছন্দে গন্তব্যে যেতে পারছে।

নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের ওসি সাওগাতুল আলম জানান, বৃষ্টির কারণে যান চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। ‌সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে যানজট নিরসনের জন্য।

এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কোনো ধরনের যানজট নেই। বুধবার সন্ধ্যার পর রাত পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে ওই মহাসড়কে টঙ্গী থেকে চন্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত যানজট ছিল। আজ ভোর হওয়ার আগেই সেই যানজট নিরসন হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা, মাওনা এবং জৈনাবাজার পর্যন্ত সড়কে যানজট নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

তবে বৃষ্টির কারণে এবং যানবাহন কম থাকায় কিছু পরিবহনে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু পরিবহনকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা যানজট ও বৃষ্টির কারণে বিড়ম্বনায় পড়ায় স্থানীয় লোকাল বাস ও অটোরিকশাগুলোর অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করে যাত্রীরা।

ধ্রুব/এস.আই

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)