বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ মণিরামপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত

তক্ষক ধরা ও পাচারের দায়ে দু'জনের পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

ধ্রুব রিপোর্ট ধ্রুব রিপোর্ট
প্রকাশ : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর,২০২৫, ০৬:৩৭ পিএম
আপডেট : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর,২০২৫, ০৮:৩৫ পিএম
তক্ষক ধরা ও পাচারের দায়ে দু'জনের পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

❒ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী তক্ষক এর মধ্যে এক প্রজাতি। ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী তক্ষক ধরা ও পাচারের দায়ে দুই ব্যক্তিকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে মণিরামপুর পৌরসভার নেহালপুর রোড এলাকায় মোবাইল কোর্টে ওই সাজা দেয়া হয়।

মণিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তার (ভারপ্রাপ্ত) অভিযোগের ভিত্তিতে  উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহির দায়ান আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন।

অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী আটককৃত  দুই ব্যক্তির প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে প্রায় ১৩ ইঞ্চি দৈর্ঘের একটি জীবিত তক্ষক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তক্ষকটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ ও উপযোগী প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বন বিভাগের একটি প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী তক্ষক একটি সংরক্ষিত প্রজাতির প্রাণী। চিকিৎসাশাস্ত্রে তক্ষকের বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত কোনো উপকারিতা না থাকলেও গুজব ও অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাসের কারণে এক শ্রেণির মানুষ লোভের বশবর্তী হয়ে তক্ষক পাচারের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী তক্ষক শিকার, আটক, পাচার ও বাণিজ্যিক বিক্রয় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

প্রশাসন ও বন বিভাগ জানিয়েছে, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং অবৈধ পাচার রোধে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)