ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মুহুর্মুহু বিমান হামলা ও নৌ-অবরোধের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একযোগে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরান। দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনী ও এলিট ফোর্স রেভোলিউশনারি গার্ড (আইআরজিসি) পৃথক অভিযানে জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন কৌশলগত ঘাঁটিগুলোতে এই আঘাত হানে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তাদের সামরিক অভিযান ‘সায়েকেহ’র অষ্টম ধাপ শুরু করেছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে জর্ডানের আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের দাবি, তাদের বিস্ফোরক ড্রোনগুলো ওই ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন এফ-১৮ ফাইটার জেট এবং বিশাল ইকুইপমেন্ট হ্যাঙ্গারগুলোকে (যুদ্ধবিমান রাখার স্থান) লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আজরাক ঘাঁটিতে হামলা চালাল তেহরান।
এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা কুয়েতের মিনা আবদুল্লাহতে অবস্থিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রধান লজিস্টিক ও সাপোর্ট সেন্টারে সফল হামলা চালিয়েছে।
আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের ‘নাসর ২’ অভিযানের চতুর্থ তরঙ্গের সময় এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন লজিস্টিক কেন্দ্রটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইরানের এই ড্রোন হামলার খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তারা দেশের আকাশে আসা ইরানি ড্রোনগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। কুয়েতজুড়ে যে বিকট শব্দের বিস্ফোরণ শোনা যাচ্ছে, তা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানি ড্রোন ধ্বংস বা ইন্টারসেপ্ট করার কারণে হচ্ছে।