Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু

❒ পলাতক একজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল,২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল,২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু

যশোর শিক্ষাবোর্ড ছবি: সংগৃহীত

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বহুল আলোচিত ৩৮টি চেক জালিয়াতি মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আজ বৃহস্পতিবার বোর্ড ও বাইরের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন যশোরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস এম নূরুল ইসলাম। একই সাথে মামলার প্রধানতম সহযোগী ও পলাতক আসামি শেখ শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ৫ বছর ধরে বোর্ডের ফাণ্ড থেকে টাকা লোপাটের এই ‘সিস্টেমিক’ জালিয়াতি চলে আসছিল। সোনালী ব্যাংক বিআইএসই শাখায় পরিচালিত বোর্ডের একটি বিশেষ হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা ৩৮টি চেকে টাকার অংক কাটাকাটি ও ঘষামাজা করে এই বিশাল অংকের অর্থ তোলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যেখানে মাত্র ২৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭০৬ টাকা উত্তোলনের কথা ছিল, সেখানে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৯৭ টাকা ব্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, বোর্ডের বরখাস্ত হওয়া হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম একাই ১৬টি চেক গ্রহণ করেছিলেন। অবশিষ্ট ২২টি চেক শরিফুল ইসলামসহ কয়েকজনের সহায়তায় বিভিন্ন নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ক্যাশ করা হয়। সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরস্পর যোগসাজশে আসামিরা মূল টাকার অতিরিক্ত ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৪৩ হাজার ৩ টাকা পকেটস্থ করেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বোর্ডের বরখাস্ত হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম, ঠিকাদার শেখ শরিফুল ইসলাম, আশরাফুল আলম, গাজী নূর ইসলাম, প্রত্যাশা প্রিন্টিং প্রেসের রূপালী খাতুন, সহিদুল ইসলাম, রকিব মোস্তফা, সহকারী মূল্যায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, নিম্নমান সহকারী জুলফিকার আলী, চেক ডেসপাসকারী মিজানুর রহমান ও কবির হোসেন।

তবে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় বোর্ডের তৎকালীন শীর্ষ দুই কর্মকর্তা—চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর মোল্লা আমির হোসেন ও সচিব প্রফেসর এ এম এইচ আলী আর রেজাকে চার্জশিটে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

আজ ধার্য দিনে উপস্থিত ১০ আসামিকে অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। আদালত পলাতক আসামি শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং দ্রুততম সময়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর নির্দেশনা দেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)