নিজস্ব প্রতিবেদক
মণিরামপুরর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে যশোরের আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার ডিবিসি টেলিভিশনের যশোর জেলা প্রতিনিধি এসএমএম সাকিরুল কবীর বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি থানার ওসিকে। ডাক্তার রাফসান জানি যশোর সদরের ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ডাক্তার রাফসান জানির শালিকা লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক বরাবর একটি অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। বিয়ষটি ডিবিসি টেলিভিশন কতৃপক্ষের নজরে আসায় যশোর জেলা প্রতিনিধিকে খোঁজ-খবর নিতে বলেন। এ ব্যাপারে ডাক্তার রাফসান জানির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পরে কথা বলবেন জানান। গত ১২ মার্চ ডাক্তার রাসেল নামে এক ব্যক্তি এশিয়ান টিভির যশোর অফিসে তাকে (এসএমএম সাকিরুল কবিরকে) আসার অনুরোধ করেন। এরপর তিনি অফিসে যেয়ে দেখেন ডাক্তার রাফসান তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসে আছেন। কথাবার্তার একপর্যায়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি আরও সময় চান এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মীমাংসা করে নিবেন বলেও জানান।
১৭ মার্চ ডাক্তার রাফসান জানির শালিকা মণিরামপুর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পরদিন ডাক্তার রাফসান জানি প্রেসক্লাব যশোরে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১০ দিন ধরে পারিবারিক একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রীর পরিবারের সব সদস্যদের মানসিক হেনস্থার শিকার হচ্ছি। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে যশোরের সাংবাদিক পরিচয়ে একটি কুচক্রীমহল কখনো ৩০ হাজার , কখনো ২০ লাখ আবার দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে বলে প্রচার করছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা হুমকি ও হয়রানি করে আসছে। এছাড়া এশিয়ান টিভি যশোর অফিসে ডেকে নিয়ে বক্তব্য নেয়ার কথা বলে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে শালিকার দিয়ে মামলা দিয়ে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন।
প্রকৃত পক্ষে সেদিন এশিয়ান টিভি যশোর অফিসে আমাকে ডাক্তার রাসেল নামে একজন ফোন করে নিয়ে যায়। সেখানে রাফসান জানি ও তার পরিবারের সাদস্যদের সাথে কথা হয়েছিল। ডাক্তার রাফসান জানির কাছে কেউ চাঁদা দাবি করে আটকে রাখেনি।
সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে মানহানি ঘটনানোর অভিযোগে তিনি এ মামলা করেছেন।
ধ্রুব/এস.আই