নিজস্ব প্রতিবেদক
দোয়া মাহফিল শেষে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় ছবি: ধ্রুব নিউজ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে খ্যাত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই যশোরের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে দিনটি স্মরণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আজ সকালে শহরের কারবালা কবরস্থানে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিকের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জেলা বিএনপি এ কবর জিয়ারতের আয়োজন করলেও এতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
কবর জিয়ারত শেষে জেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল থেকে দলীয় কার্যালয়ে দিনটি উপলক্ষে কোরআনখানির ব্যবস্থা করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া জেলা মৎস্যজীবী দলের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের মধ্যে জায়নামাজ, টুপি ও তাসবিহ বিতরণ করা হয়।
দিনটি উপলক্ষে শুধু জেলা শহরই নয়, যশোর জেলার সকল উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক নার্গিস বেগম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ।
এছাড়াও তরিকুল ইসলামের বড় পুত্র ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শান্তনু ইসলাম সুমিত, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান আলেক, নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জুলফিকার আলী উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্য রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসহক, সাবেক সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান খান, আব্দুস সালাম আজাদ, এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানাসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এতে অংশ নেন।