টিবিএস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছবি: টিবিএস
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আগামীকাল (২৫ অক্টোবরের) 'পাওয়ার স্টার্টআপ' কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে এ কার্যক্রম শুরু করা যাবে কি না, তা নির্ভর করছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন ইতোমধ্যে বায়েরার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে ইউনিটটি 'সি স্টেজে' প্রবেশ করবে। এ ধাপেই শুরু হবে পাওয়ার স্টার্টআপ কার্যক্রম।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের সব পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এ ধাপের গুরুত্বপূর্ণ ফিজিক্স টেস্টও সফল হয়েছে। বুধবার এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন দ্রুত পাওয়া গেলে ২৫ অক্টোবরের দিকে পাওয়ার স্টার্টআপ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে অনুমোদন পেতে সময় লাগলে কার্যক্রম শুরুর সময়ও পিছিয়ে যেতে পারে।
পাওয়ার স্টার্টআপের শুরুতে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। পরবর্তী পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের পাওয়ার বা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালে কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। সে হিসাবে চলতি বছরের শেষ দিকে প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা করা হচ্ছে।
তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর সময়ও নির্ভর করবে পাওয়ার স্টার্টআপের পরবর্তী প্রতিটি পরীক্ষা ও ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার ওপর।
তথ্যসূত্র: টিবিএস