নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: ধ্রুব নিউজ
স্বর্ণকার আল আমিন ওরফে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা মামলায় গোলাম রসুল নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার কুইশুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার গোলাম রসুল যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে। বুধবার তাকে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ‘ব্ল্যাক আল আমিন’ ও সৌরভ নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব।
মামলার বিবরণ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আল আমিন যশোর শহরের পূর্ব বারান্দী মালোপাড়া লিচুতলা এলাকার বাসিন্দা এবং শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টির একজন অলংকার প্রস্তুতকারী বা স্বর্ণকার ছিলেন। গত ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকালে দোকান খোলার পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইলে একটি ফোন আসে। অসুস্থ এক পরিচিত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নেওয়া হলে তিনি দোকান থেকে বের হন।
এর কিছু পরেই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার মা আয়শা বেগম জানতে পারেন, বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় আল আমিনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগান থেকে তার রক্তাত লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রাথমিক তদন্ত শেষে অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই মাসুদ জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম রসুল ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য দিয়েছেন। ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন ও অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করতে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।