Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

গণহত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি,২০২৬, ১১:৪৮ এ এম
গণহত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে

সদ্য বিদায়ী আন্তর্জাতিক মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, গণহত্যাকারীদের বাঁচাতে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে। আনীত এসব অভিযোগ তিনি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।  এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে- আপনি কী বলবেন?

তাজুল ইসলাম: আমার বিরুদ্ধে যে প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত। দায়িত্বে থাকাকালে কেউ আমার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস করেনি। এখন দায়িত্বে নেই দেখে একটি মিথ্যা হাইপ তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী খুঁজেও আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ কেউ বের করতে পারবে না।

প্রশ্ন: এই অপপ্রচারের পেছনে কারা জড়িত বলে মনে করেন?

তাজুল ইসলাম: যারা বিচার থেকে বাঁচতে চায়, বিশেষ করে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামিপক্ষ, তারাই পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়াকে দুর্বল করার জন্যই এই অপপ্রচার।

প্রশ্ন: রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখছেন?

তাজুল ইসলাম: হ্যাঁ। এটি একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমি মনে করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ একটি মহল এতে জড়িত। উদ্দেশ্য হলো গণহত্যাকারীদের সুবিধা করে দেয়া।

প্রশ্ন: সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্টের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ নিয়ে আপনার আপত্তি?

তাজুল ইসলাম: এটা প্রপার সাংবাদিকতা নয়। যাচাই না করে সংবাদ করা উচিত না। আমার সাথে কথা বললেই পরিষ্কার হতো।

প্রশ্ন: নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম-এর বিষয়ে আপনার মত?

তাজুল ইসলাম: আমি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। তিনি পেশাদার আইনজীবী। আশা করি ভালো করবেন।

প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। আপনি কী বলবেন?

তাজুল ইসলাম: তিনি বলেছেন, আমার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট অর্থ উপার্জন করেছে- এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তাকে চ্যালেঞ্জ করছি- প্রমাণ থাকলে সামনে আনুক।

প্রশ্ন: আপনি কি তার বিরুদ্ধে আগে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন?

তাজুল ইসলাম: হ্যাঁ। ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই তিনি এখন অভিযোগ করছেন। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আমি আইন উপদেষ্টার কাছে চিঠি দিয়ে তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে অপসারণের সুপারিশ করেছিলাম।

প্রশ্ন: কী ধরনের অভিযোগ ছিল?

তাজুল ইসলাম: কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ট্রাইব্যুনালের গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের অভিযোগ ছিল। এতে তদন্তাধীন সংবেদনশীল মামলাগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রশ্ন: আচরণগত অভিযোগও ছিল?

তাজুল ইসলাম: হ্যাঁ। অভিযোগে উল্লেখ ছিল, হাইকোর্ট অ্যানেক্স ভবনে এক নিরাপত্তা প্রহরী- মো: মাঈন উদ্দিনকে তুচ্ছ কারণে গালিগালাজ ও পরে মারধর করা হয়। এমনকি অস্ত্রের ভয় দেখানো ও গুলি করার হুমকির কথাও এসেছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ছাড়া গানম্যানদের দিয়ে বেপরোয়া আচরণের অভিযোগও ছিল।

প্রশ্ন: আর কী কী বিষয় উল্লেখ করেছিলেন?

তাজুল ইসলাম: শৃঙ্খলাভঙ্গ, দায়িত্বে গাফিলতি, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করা এবং সাক্ষী-ভিকটিমদের বাসায় ডেকে বিভ্রান্তিমূলক পরামর্শ দেয়ার অভিযোগ ছিল। এসব কর্মকাণ্ড ট্রাইব্যুনালের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছে বলে আমি মনে করেছি। তাই অপসারণের সুপারিশ করেছিলাম।

প্রশ্ন: শেষ কথা?

তাজুল ইসলাম: আমি চাই- সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। সত্য প্রকাশ পাক। বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

সৌজন্যে : দৈনিক নয়া দিগন্ত
 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)