Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

আন্তর্জাতিক সংঘাত এড়াতে 'নয়াদিল্লি ঘোষণা' অনুমোদন হলো ব্রিকস সম্মেলনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
আন্তর্জাতিক সংঘাত এড়াতে 'নয়াদিল্লি ঘোষণা' অনুমোদন হলো ব্রিকস সম্মেলনে

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে একত্রিত হয়েছেন বিশ্বনেতারা ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সামরিক আগ্রাসনের পথ পরিহার করে সংলাপ ও কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস। ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম প্রকাশ না করেই বিশ্বজুড়ে সব ধরনের আগ্রাসন ও একতরফা সামরিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। টানা নানা মতপার্থক্য কাটিয়ে সদস্যদেশগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ গৃহীত হওয়ার পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

​মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিয়ে জোটের অন্যতম দুই সদস্য ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান ভিন্ন হওয়ায় প্রথমে যৌথ বিবৃতি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে কয়েক দিনের নিবিড় আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশ দুটি অভিন্ন ভাষায় সম্মত হয়। মে মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মতভেদের কারণে ব্যর্থতার পর, এবারের সম্মেলনে সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে এই যৌথ ঘোষণা পাশ করানোকে আয়োজক দেশ ভারতের জন্য এক বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

​গৃহীত ঘোষণাপত্রে বিশ্বব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উঠে এসেছে:

  • ​বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সংস্কার: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও ডব্লিউটিও-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব ও ক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। ব্রাজিল ও ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন ও রাশিয়া।
  • ​নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ দমন: যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
  • ​বাণিজ্য ও জ্বালানি সুরক্ষা: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, সমুদ্রপথে নির্বিঘ্ন বাণিজ্য পরিচালনা এবং নাবিকদের সুরক্ষা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শুল্কসংক্রান্ত বাধা কমিয়ে বাণিজ্য বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

​রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মতো বিশ্বনেতারা এই সম্মেলনে সশরীরে যুক্ত হন। বিশ্বের ৪০ শতাংশেরও বেশি জনসংখ্যা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় চার ভাগের এক ভাগ নিয়ন্ত্রণকারী এই জোটের এমন ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই নতুন করে প্রমাণ করে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)