Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ১ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের পদত্যাগ, সত্য নাকি গুজব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ১ জুন,২০২৬, ১১:৩০ এ এম
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের পদত্যাগ, সত্য নাকি গুজব?

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আইআরজিসির সঙ্গে বিরোধে পদত্যাগ করেছেন, এমন একটি খবর ছড়ালেও ইরান সরকার তা অস্বীকার করেছে। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আইআরজিসির সঙ্গে বিরোধে পদত্যাগ করেছেন, এমন একটি খবর ছড়ালেও ইরান সরকার তা অস্বীকার করেছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আইআরজিসির বেশি প্রভাবের কারণে তিনি সরকার চালাতে পারছেন না।

তবে সরকারি সূত্র ও প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, এই খবর ঠিক নয়। প্রেসিডেন্ট এখনো তার দায়িত্বে আছেন এবং কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল, যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) অতিরিক্ত প্রভাবের প্রতিবাদে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইরান ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছিল, পেজেশকিয়ান তার পদত্যাগপত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে জমা দিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে নির্বাচিত সরকারকে কার্যত দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এর ফলে তৈরি হওয়া ক্ষমতার শূন্যতাকে কাজে লাগিয়ে আইআরজিসির কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি সরকারের একটি অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেননি এবং তিনি স্বাভাবিকভাবেই তার দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগ ও তথ্য বিভাগের উপপ্রধান সৈয়দ মেহেদী তাবাতাবাইও এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশভিত্তিক এই বিতর্কিত সংবাদমাধ্যমের গুজব ছড়ানো আগের মতোই ভিত্তিহীন প্রচারণার অংশ। তারা বাস্তবতার পরিবর্তে নিজেদের কল্পনাকে খবর হিসেবে প্রকাশ করেছে।’

তাবাতাবাই আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জনগণের সেবা করা থেকে সরে দাঁড়াবেন না। একই ভাবে ইরানি জনগণও ঐক্য ও প্রতিরোধের পথ থেকে পিছিয়ে যাবে না।

’ তিনি দাবি করেন, ইরানের জাতীয় ঐক্য নষ্ট করার যে আশা এসব মহল করছে, তা কখনও সফল হবে না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আইআরজিসির সঙ্গে বিরোধে পদত্যাগ করেছেন, এমন একটি খবর ছড়ালেও ইরান সরকার তা অস্বীকার করেছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আইআরজিসির বেশি প্রভাবের কারণে তিনি সরকার চালাতে পারছেন না। তবে সরকারি সূত্র ও প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, এই খবর ঠিক নয়। প্রেসিডেন্ট এখনো তার দায়িত্বে আছেন এবং কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছিল, যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) অতিরিক্ত প্রভাবের প্রতিবাদে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইরান ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছিল, পেজেশকিয়ান তার পদত্যাগপত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে জমা দিয়েছেন। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে নির্বাচিত সরকারকে কার্যত দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এর ফলে তৈরি হওয়া ক্ষমতার শূন্যতাকে কাজে লাগিয়ে আইআরজিসির কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। 

আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি সরকারের একটি অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেননি এবং তিনি স্বাভাবিকভাবেই তার দায়িত্ব পালন করছেন। 

এদিকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগ ও তথ্য বিভাগের উপপ্রধান সৈয়দ মেহেদী তাবাতাবাইও এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশভিত্তিক এই বিতর্কিত সংবাদমাধ্যমের গুজব ছড়ানো আগের মতোই ভিত্তিহীন প্রচারণার অংশ। তারা বাস্তবতার পরিবর্তে নিজেদের কল্পনাকে খবর হিসেবে প্রকাশ করেছে।’

তাবাতাবাই আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জনগণের সেবা করা থেকে সরে দাঁড়াবেন না। একই ভাবে ইরানি জনগণও ঐক্য ও প্রতিরোধের পথ থেকে পিছিয়ে যাবে না।’ তিনি দাবি করেন, ইরানের জাতীয় ঐক্য নষ্ট করার যে আশা এসব মহল করছে, তা কখনও সফল হবে না।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল তাদের সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই চিঠিতে পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাব এতটাই বেড়েছে যে, তিনি কার্যকরভাবে সরকার পরিচালনা করতে পারছেন না।

তিনি নাকি অভিযোগ করেছেন, আইআরজিসির আধিপত্যের কারণে নির্বাচিত সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রাখা হচ্ছে এবং তিনি নিজের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্বও ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না। এ কারণেই তিনি অবিলম্বে পদত্যাগের অনুমতি চেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের সরকার ও আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম এই দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেননি এবং তিনি এখনো তার দায়িত্ব পালন করছেন।

এটি এমন একাধিক মাস ধরে চলা প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ইরানের সরকার এবং দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উত্তেজনার কথা বলা হচ্ছে। এর আগে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় একটি ছোট কিন্তু প্রভাবশালী গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই গোষ্ঠীর বেশিরভাগ সদস্যই বর্তমান বা সাবেক উচ্চপদস্থ আইআরজিসি কমান্ডার।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, কিছু ইরানি কর্মকর্তা মনে করেন দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একটি ৫৬ বছর বয়সী উত্তরাধিকারী নেতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তবে বাস্তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি একটি কঠোর ও অভিজ্ঞ গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যাদের অনেকেরই রাজনৈতিক ও সামরিক অভিজ্ঞতা এসেছে ১৯৮০ সালে শুরু হওয়া ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল তাদের সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই চিঠিতে পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাব এতটাই বেড়েছে যে, তিনি কার্যকরভাবে সরকার পরিচালনা করতে পারছেন না।

তিনি নাকি অভিযোগ করেছেন, আইআরজিসির আধিপত্যের কারণে নির্বাচিত সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রাখা হচ্ছে এবং তিনি নিজের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্বও ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না। এ কারণেই তিনি অবিলম্বে পদত্যাগের অনুমতি চেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের সরকার ও আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম এই দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেননি এবং তিনি এখনো তার দায়িত্ব পালন করছেন।

এটি এমন একাধিক মাস ধরে চলা প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ইরানের সরকার এবং দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উত্তেজনার কথা বলা হচ্ছে। এর আগে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় একটি ছোট কিন্তু প্রভাবশালী গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই গোষ্ঠীর বেশিরভাগ সদস্যই বর্তমান বা সাবেক উচ্চপদস্থ আইআরজিসি কমান্ডার।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, কিছু ইরানি কর্মকর্তা মনে করেন দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একটি ৫৬ বছর বয়সী উত্তরাধিকারী নেতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তবে বাস্তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি একটি কঠোর ও অভিজ্ঞ গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যাদের অনেকেরই রাজনৈতিক ও সামরিক অভিজ্ঞতা এসেছে ১৯৮০ সালে শুরু হওয়া ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)