ধ্রুব ডেস্ক
প্রতীকী ছবি ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এসব শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। সময়সূচি দ্রুতই শিক্ষা বোর্ডগুলোর দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার যোগ্য সম্ভাব্য শিক্ষার্থীদের তালিকা শিগগিরই ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) দিয়ে দেওয়া হবে। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণের কার্যক্রম শেষ করতে হবে। প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করা যাবে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখার সোনালী সেবার মাধ্যমে। ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ নভেম্বর। ফি পরিশোধের সুবিধার্থে সোনালী সেবার রশিদটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকে ফি জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বোর্ডে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা সক্রিয় হবে। এই চূড়ান্ত তালিকা প্রিন্ট করে শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষর নিতে হবে এবং প্রতিটি পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সত্যায়ন বা স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক। একই নামে বহু শিক্ষার্থী থাকতে পারে বলে রেজিস্ট্রেশন নম্বর মিলিয়ে প্রকৃত পরীক্ষার্থী বাছাইয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ভুলভ্রান্তি হলে তার পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে। এছাড়া সোনালী সেবার জমার কপি এবং পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরসহ চূড়ান্ত তালিকা প্রতিষ্ঠানেই জমা রাখতে হবে।
সিলেবাস সম্পর্কিত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ২০২৬ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস এবং অনিয়মিতদের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার সার্বিক ফি নির্ধারণের বিষয়ে বলা হয়েছে, তত্ত্বীয় বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রতি পত্রে পরীক্ষার্থীপ্রতি (নিয়মিত ও অনিয়মিত) ১২৫ টাকা এবং প্রতিটি ব্যবহারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পত্রে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ফি হিসেবে জনপ্রতি ৪৫০ টাকা কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। আদায় করা কেন্দ্র ফি থেকে কলেজগুলো তাদের নিজস্ব ব্যয়ের জন্য ১০ শতাংশ টাকা রেখে অবশিষ্ট ৯০ শতাংশ কেন্দ্র পরিচালনার যাবতীয় খরচের জন্য কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে হস্তান্তর করবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য সরঞ্জামাদি শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করাসহ পরীক্ষার আনুষঙ্গিক সব খরচ এই কেন্দ্র ফি থেকেই নির্বাহ করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।