Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ শিলাবৃষ্টি আর কালবৈশাখীই শঙ্কা

গুটির ভারে নুয়ে পড়ছে আম্রকানন, চাষিদের চোখে স্বপ্ন

শেখ জালাল শেখ জালাল
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ,২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
গুটির ভারে নুয়ে পড়ছে আম্রকানন, চাষিদের চোখে স্বপ্ন

গুটির ভারে নুয়ে পড়ছে আম্রকানন, চাষিদের চোখে স্বপ্ন। শিলাবৃষ্টি আর কালবৈশাখীই শুধু শঙ্কা। ছবি: ধ্রুব নিউজ

বসন্তের আলো-ছায়ায় এখন অন্যরকম এক রূপে সেজেছে যশোরের আম্রকানন। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলে থাকা অসংখ্য ছোট ছোট আমের গুটি যেন প্রকৃতির নিজস্ব অলংকার। কোথাও ডাল নুয়ে পড়েছে গুটির ভারে, কোথাও বা হালকা বাতাসে দুলে উঠছে সোনালি আভা সব মিলিয়ে এক অপূর্ব দৃশ্য। এই সৌন্দর্যের ভেতরেই লুকিয়ে আছে চাষিদের স্বপ্ন, আশার আলো আর একটু অনিশ্চয়তার ছায়াও।

যশোর জেলায় এ বছর ৪ হাজার ২ হেক্টর জমিতে আমের বানিজ্যিক আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ২৩৬ টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় ৯৫ শতাংশ গাছেই ইতোমধ্যে আমের গুটি ধরেছে। গড় হিসাবে প্রতি হেক্টরে প্রায় ১২ দশমিক ৮৮ টন ফলনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তো হবেই, বরং তা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে মণিরামপুর ও কেশবপুর অঞ্চলে এ বছর আম উৎপাদনে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। গত বছর যেখানে হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ১১ থেকে ১২ টন, সেখানে এ বছর তা বাড়িয়ে ১৪ থেকে ১৬ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলেই মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

তবে আমবাগানের এই নজরকাড়া রূপ চাষিদের মনে আনন্দ জাগালেও, এক ধরনের অজানা শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না। শিলাবৃষ্টি বা আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় এলে মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে পুরো মৌসুমের পরিশ্রম। পাশাপাশি ছত্রাকজনিত রোগও এখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের নিয়মিত বাগান পর্যবেক্ষণ এবং আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গুটির সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় স্প্রে’র ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, গাছে ইতোমধ্যে গুটি এসেছে এবং লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ২৩৬ টন। কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন স্প্রে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বড় ধরনের ঝড় বা শিলাবৃষ্টি না হলে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ধ্রুব/এস.আই

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)