Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং থাকছে না, চাহিদামতো তেল কিনতে পারবে সবাই

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ১৫ মার্চ,২০২৬, ১১:৩৯ এ এম
আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং থাকছে না, চাহিদামতো তেল কিনতে পারবে সবাই

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং না থাকার ঘোষণা দেন ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।আতঙ্কে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ হারে জ্বালানি তেল কেনা শুরু হয়।এটি ঠেকাতে তেল কেনায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।ফিলিং স্টেশনে সরববরাহ কমানো হয়। সেখানে দীর্ঘ লাইন কমছে না।

তাই ঈদ যাত্রায় মানুষের ভোগান্তি ঠেকাতে ও সেচের ডিজেল চাহিদা পূরণে জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা তুলে নিল সরকার।

আজ রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না। সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবে।

এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির সংকট যাতে না হয়, তাই আমদানি বাড়াতে বন্ধু রাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এর আগে অস্বাভাবিক বিক্রি ঠেকাতে গত ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমা বেঁধে দেয় সরকার।এর আগে গত ১০ মার্চ রাইড শেয়ার করা মোটরসাইকেলের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও এটি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়।এ ছাড়া ৭ মার্চ থেকে ফিলিং স্টেশনে চাহিদার চেয়ে ২৫ শতাংশ হারে কম সরবরাহ করা হচ্ছিল।১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরের ফিলিং স্টেশনে ১০ শতাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়।এরপর চাহিদামতো সরবরাহ পেতে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি জানায় স্টেশন মালিকেরা।

খুলনায় শনিবার ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখে তারা। চাহিদামতো না পেলে রাজশাহীতেও তেল না তোলার হুমকি দেয় ফিলিং স্টেশন মালিকেরা।

জ্বালানি তেল আমদানির সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র বলছে, এ মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ আসার কথা।গতকাল ১৪ মার্চ পর্যন্ত ৬টি জাহাজ এসেছে।আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত আরও ৬টি জাহাজ আসার সময় সূচি পাওয়া গেছে।এর বাইরে ৬টি জাহাজের এখন পর্যন্ত সময়সূচি পাওয়া যায়নি।প্রতিটি জাহাজে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টন তেল থাকে।এসব জাহাজ মূলত ডিজেল নিয়ে আসছে।শুধু শেষ দুটি জাহাজে ডিজেলের সঙ্গে জেট ফুয়েল থাকবে।আর ১৭ বা ১৮ মার্চে একটি জাহাজ ফার্নেস তেল নিয়ে আসার কথা।এর বাইরে খোলাবাজার থেকে অকটেনের একটি জাহাজ কেনার চেষ্টা চলছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ আসার কথা সূচিতে আছে। সেটি এগিয়ে এ মাসে আনার আলোচনা চলছে।

জ্বালানি তেলের মধ্যে ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রি হয়।এর মধ্যে পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদন হয়।অকেটেনের ৫০ শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়, বাকিটা আমদানি করা হয়।তাই চিন্তা মূলত ডিজেল নিয়ে।বছরে বিপিসির সরবরাহ করা জ্বালানির প্রায় ৬৫ শতাংশ ডিজেল।

বিপিসি সূত্র বলছে, দেশে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ টন ডিজেল মজুত আছে।এর বাইরে আরও প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল আছে, যা জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে।এর মধ্যে নতুন জাহাজ যুক্ত হতে থাকবে।অকটেন ও পেট্রলের মজুত আছে ১৬ হাজার টন করে।দেশীয় উৎস থেকে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ টন করে পেট্রল ও অকটেন যুক্ত হচ্ছে।দিনে পেট্রল ও অকটেনের চাহিদা ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টন। সরবরাহ বাড়ানো হলেও মার্চে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না।তবে কেউ চাহিদার চেয়ে বাড়তি তেল কিনে মজুত করতে থাকলে চাপ তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, জুন পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি (ডিজেল, অকটেন) কেনার চুক্তি করা আছে।তবে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহকারীরা তেল পরিশোধন করতে সংকটে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে আগামী মে মাসে তারা চুক্তি অনুসারে তেল সরবরাহে ব্যর্থ হতে পারে।তাই সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি বা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বা সরাসরি প্রক্রিয়ায়) তেল কেনার চিন্তা করা হচ্ছে।চুক্তির চেয়ে অতিরিক্ত সরবরাহ চেয়ে ইতিমধ্যে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)