Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মাকে হত্যাকারী স্কুল শিক্ষক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট,২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
মাকে হত্যাকারী স্কুল শিক্ষক আটক

যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে মাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগে স্কুলশিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মামুনুর রশিদ ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানি এন.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং বাজে দুর্গাপুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেনের ছেলে। 

পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে যশোর শহর থেকে নিজ বাড়ি বাজে দুর্গাপুরে যান শিক্ষক মামুনুর রশিদ। বাড়িতে গিয়ে তিনি মায়ের কাছে গোসলের গামছা চান। এ সময় পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিক্ষক মামুনুর রশিদ পাশে থাকা ধারালো বটি দিয়ে মায়ের পিঠে কোপ দেন। এতে আনোয়ারা খাতুন মাটিতে পড়ে গেলে তার মুখমণ্ডল, মাথা, পিঠ ও বাম হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে ওই বটি দিয়েই তার গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান  মামুনুর রশিদ।

ঘটনার পর পিবিআই যশোরের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামুনুর রশিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে পিবিআই কর্মকর্তা এসআই রতন মিয়া ও এসআই মো. বাবুল ইসলামসহ পিবিআইয়ের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষক মামুনুর রশিদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানায়, তার দুটি বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক বনিবনা না হওয়ায় দুই স্ত্রীই তাকে ছেড়ে চলে যান। স্ত্রীদের চলে যাওয়ার জন্য তিনি তার মা আনোয়ারা খাতুনকে দায়ী মনে করতেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিনও দুই স্ত্রী চলে যাওয়ার বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার তর্ক হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মায়ের ওপর হামলা চালান এবং পরে গলা কেটে হত্যা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষক মামুনুর রশিদ মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান বলে জানিয়েছে পিবিআই। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তার শিক্ষক মামুনুর রশিদকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারকের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)