Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চুরির অভিযোগে সালিশে জুতাপেটা, মাথা ন্যাড়া

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি,২০২৬, ০৮:৫৯ এ এম
চুরির অভিযোগে সালিশে জুতাপেটা, মাথা ন্যাড়া

মাথা ন্যাড়া করার দৃশ্য ছবি: সংগৃহীত


 

চুরির অপবাদ দিয়ে এক অটোরিকশাচালককে সালিশে জুতাপেটা ও মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জের সিংগাইরে টিউবওয়েলের মাথা চুরির অপরাধের অভিযোগ এন এমন ঘটনা ঘটিয়েছে প্রভাবশালীরা।এ ছাড়া ওই অটোরিকশাচালকের মা, ফুফু ও ভাইকে মারধর করা হয়। ইতোমধ্যে উপজেলার ফকেপুর গ্রামের এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। 
সালিশে জুতাপেটা ও মাথা ন্যাড়া করার এমন একটি ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ২৪ বছর বয়সী ওই অটোরিকশাচালককে তার বাড়ি থেকে  প্রতিবেশী রতন, আনেস ও শেরুন সালিশের কথা বলে ফতেপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর প্রতিবেশী হারুন ব্যাপারীর বাড়ির টিউবওয়েলের মাথা চুরির জন্য অটোরিকশাচালককে অভিযুক্ত করা হয়। তিনি তা অস্বীকার করলেও চান্দহর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দ্বীন ইসলাম ও গ্রাম্য মাতব্বর সালিশের সভাপতি লতিফ ভান্ডারী ৫০টি জুতার বাড়ি ও মাথা ন্যাড়া করার রায় ঘোষণা করেন। এরপর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সামনেই শেরুন ব্যাপারী অটোচালককে ৫০ বার জুতাপেটা করেন। মাথার চুল ন্যাড়া করে দেন রতন মিয়া। সালিশের প্রতিবাদ করলে সালিশকারীরা অটোরিকশাচালকের মা, ফুফু ও ফুফাতো ভাইকে মারধর করে।

 এ বিষয়ে সালিশের সভাপতি ফতেপুর গ্রামের মাতব্বর লতিফ ভান্ডারী সাংবাদিকদের জানান, রোববার রাতে টিউওয়েলের মাথা চুরি হয়। পরে বাগুলি গ্রামের মানিক ও জহিরুলের কাছ থেকে সেটি উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, অটোরিকশাচালক তাদের কাছে এটি বিক্রি করেছে। সালিশে ওই অটোরিকশাচালক চুরি করার কথা স্বীকার করে। মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তার স্বজনদের মারধর করা হয়নি। গ্রামের লোকজনের সঙ্গে ধাক্কাধাকি হয়েছে।
তবে চুরির ঘটনায় জড়িত নয় বলে দাবি রিকশাচালকের। তার দাবি,মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে গ্রামের সবার সামনে জুতাপেটা ও ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে। প্রতিবাদ করায় আমার মা, ফুফু ও ফুফাতো ভাইকে মারধর করা হয়। ফুফাতো ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে চোখের ওপর জখম করেছে। আমরা সিঙ্গাইর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। 
সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, ওই অটোরিকশাচালক  বৃহস্পতিবার মামলা করেছেন। মামলায় ৯ জনের নামসহ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আওলাদ হোসেন, আনেস ব্যাপারী ও আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)