ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বহুপ্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি নির্ধারিত সময়ে আয়োজন নিয়ে শঙ্কা কাটছিলই না। এবার সেই অনিশ্চয়তার মেঘ আরও ঘনীভূত করে নতুন তথ্য সামনে এনেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই। সংস্থাটির খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পূর্বনির্ধারিত এই সীমিত ওভারের সিরিজটি পিছিয়ে ২০-২৫ দিন পর কিংবা আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে। বিসিসিআই এবং ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এখনও অব্যাহত থাকায় এবং উপযুক্ত ক্রিকেট সূচির অভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) আগামী বছরের শুরুতেই নতুন 'উইন্ডো' খোঁজার চেষ্টা করছে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাত দিয়ে এএনআই নিশ্চিত করেছে যে, আগস্ট ২০২৫ থেকে পিছিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আনা এই সিরিজটি পুনরায় পেছানোর মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি ও সরকারি অনুমোদনের জটিলতা এর মূল কারণ। বিসিবি প্রাথমিকভাবে ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের এই সফর আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে একই সময়ে ভারত-আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সফর বাস্তবায়ন বড় ধরনের ধাক্কা খায়। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হবে তারা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিসিসিআই বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে কোনো ফাঁকা দিন পাচ্ছে না।
বাংলাদেশের হোম সিরিজটি আয়োজনের বিষয়ে ইতিপূর্বে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেছিলেন। সফরটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টার কথা জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত ও নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে এবং কূটনৈতিক বা ক্রিকেটীয় সীমারেখার ভেতরে থেকে বিসিবি সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিসিসিআই থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক সবুজ সংকেত কিংবা দিনক্ষণ সম্পর্কিত কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা না এলেও, দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আগামী জানুয়ারি মাসের দিকেই আন্তর্জাতিক এই সিরিজটি আয়োজনের সর্বোচ্চ জোর সম্ভাবনা রয়েছে।