ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ম্যাচের নিষ্পত্তি আরো আগেই হতে পারত। কিন্তু নিকো উইলিয়ামসের গোল বাতিল হওয়ায় বিশ্বকাপ ফাইনালের ফল নির্ধারণ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
ফাইনালে শুরু থেকেই একচ্ছত্র আধিপত্য দেখায় স্পেন। তরুণ খেলোয়াড়ে ভরপুর স্প্যানিশ দলের সামনে কার্যত দাঁড়াতেই পারেনি লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। তবে একের পর এক আক্রমণ করেও নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি স্পেন। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, স্পেন কি আরো আগেই ম্যাচ জিতে যেতে পারত?
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ৯৬তম মিনিটে দুর্দান্ত শটে আর্জেন্টিনার জালে বল জড়ান স্পেনের ফরোয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস। গোলের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন স্প্যানিশ খেলোয়াড়রা। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন। তার এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত হন মাঠে উপস্থিত দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীরা।
পরে জানা যায়, গোলের ঠিক আগে বক্সের মধ্যে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্দির ওপর ফাউল করেছিলেন স্পেনের মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। উইলিয়ামসের কাছে বল পৌঁছানোর আগে মেরিনোর বুট ওটামেন্দির পায়ে আঘাত করে। সেই ঘটনাকেই ফাউল হিসেবে বিবেচনা করে গোল বাতিল করেন রেফারি।
রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ প্রথমে ভিএআরের সহায়তা ছাড়াই ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন। পরে ভিএআর পর্যালোচনায় তার সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
তবে গোল বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকের দাবি, ম্যাচের চেয়েও কঠিন ফাউলের ঘটনায় রেফারি বাঁশি বাজাননি।