বি,এল কলেজ প্রতিনিধি
ঐতিহ্যবাহী খুলনা বি এল কলেজ ছবি: ধ্রুব নিউজ
গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে বন্ধ রয়েছে খুলনার ঐতিহ্যবাহী সরকারি বি,এল কলেজের ছেলেদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি ছাত্রাবাস। দীর্ঘ ২৬ মাস ধরে হলগুলো বন্ধ থাকায় চরম আবাসন সংকটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, ভাঙচুর এবং সংস্কারকাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণে ছাত্রাবাসগুলো বন্ধ থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে সম্প্রতি সরকারি বিএল কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে হল সংস্কার কাজের পরিদর্শনের ছবি প্রকাশ করে ‘ছাত্রদের জন্য সুখবর আসছে শিগগিরই’—এমন ক্যাপশন দেয়া বার্তা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে হল খোলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় অপেক্ষায় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
যা থেকে শিক্ষার্থীরা আশা করছে শীঘ্রই হয়তো হলগুলো খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ছাত্রাবাসগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন—হলের সিট বণ্টন কীভাবে হবে? রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের ভিত্তিতে, নাকি মেধার ভিত্তিতে?
হল খোলার বিষয় শিক্ষার্থীরা জানান: হলের সিট বণ্টনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব তাঁরা মেনে নেবেন না বরং একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে সিট বন্টন করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, হল চালুর পর যেন নতুন করে রাজনৈতিক আধিপত্য, হল দখল কিংবা সিট নিয়ে অনিয়মের পরিবেশ তৈরি না হয়। ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক পরিবেশে সহাবস্থান, নিরাপত্তা ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর জোর দাবি জানান।