Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বাল্যবিয়ের আয়োজন, ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় কলেজছাত্রী

বেনাপোল প্রতিনিধি বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ : শনিবার, ২২ আগস্ট,২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
বাল্যবিয়ের আয়োজন, ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় কলেজছাত্রী

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রশাসন কর্তৃক বাল্যবিয়ের আয়োজন বন্ধের পরও তা উপেক্ষা করে পুনরায় বিয়ের আয়োজন করায় ১৬ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীকে ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের বেলী গ্রামে সোনার বাংলা কলেজের একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজমা খাতুনের দায়িত্বে রাখা হয়।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে ওই ছাত্রীর বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছে—এমন খবর পেয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রতিনিধি মোখলেছুর ও আক্তারুল, ইউপি দফাদার ইবাদুল ইসলাম এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যরা মেয়েটির বাড়িতে যান। এ সময় মেয়ের বাবা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মেয়েকে বিয়ে দেবেন না মর্মে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। মুচলেকায় ভবিষ্যতে বাল্যবিয়ে দিলে আইনানুগ শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকারও করা হয়।

তবে অভিযান শেষ করে প্রশাসনিক দল চলে যাওয়ার পর দুপুরে জেলা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির কাছে খবর আসে, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ওই বাড়িতে আবারও বিয়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অতিথিদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। কমিটির নির্দেশনায় সাংবাদিক মেহেদী নেওয়াজ সোহাগ, ইউপি দফাদার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের পুনরায়োজন দেখেন।

এ সময় মেয়েটিকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা জানান সে নানার বাড়িতে গেছে। পরে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নূরুন্নাহার এবং কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান রিমুকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

খবর পেয়ে কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটির বাবাকে খুঁজতে থাকেন, তবে তাকে পাওয়া যায়নি। কিছুক্ষণ পর মেয়েটি হেঁটে বাড়িতে ফিরলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। মেয়েটি জানায় তার বিয়ে হয়নি, তবে এক যুবকের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে এবং তার সঙ্গে বিয়ে না দিলে সে আত্মহত্যার হুমকি দেয়।

উদ্ভুত পরিস্থিতি বিবেচনায় কলারোয়া ইউএনও আরিফুল ইসলামের পরামর্শে মেয়েটিকে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজমা খাতুনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য নূর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের বিয়ের আয়োজন না করতে পরিবারকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)