ধ্রুব ডেস্ক
চট্টগ্রামে তিন বছর আগে চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রী আবিদা সুলতানা আয়নীকে (১০) ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় প্রতিবেশী সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এবং মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত পৃথকভাবে এই দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় তিন বছর আগে চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রী আবিদা সুলতানা আয়নীকে (১০) ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় প্রতিবেশী সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিড়াল ছানা দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশী শিশু আয়নীকে একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে যান রুবেল। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টাকালে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ বস্তায় ভরে একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। সাতদিন নিখোঁজ থাকার পর ২৯ মার্চ সাগরিকা বাইলেন এলাকার একটি ডোবা থেকে আয়নীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারের পর রুবেল পুলিশের কাছে এই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
অপরদিকে মাগুরা প্রতিনিধি জানান, জেলার শ্রীপুরে চার বছর আগে এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আসামি হাসান শেখকে (২৮) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত হাসান শেখ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি শাখাওয়াত হোসেন জানান, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ শ্রীকোল গ্রামের কুমার নদের তীরে একটি বাঁশঝাড়ের নিচ থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯ মার্চ শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় হাসান শেখকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় দেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন নিহত শিশুর মা।