ধ্রুব ডেস্ক
পাবনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ তিনজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা বনগ্রাম বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মরদেহের নানি ও সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের সলিম প্রামাণিক (৬৫), তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (৩০)। রাজ শেখ পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া কিশোরী কেয়া খাতুনের (১৩) মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি আতাইকুলার সড়াডাঙ্গী কড়ইতলা আলিম মডেল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে ঢাকা থেকে পাবনাগামী ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ এবং মরদেহের সঙ্গে থাকা কেয়ার নানি বুলু খাতুন নিহত হন। আহত হন অ্যাম্বুলেন্স ও বাসে থাকা আরও চারজন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহত সলিম প্রামাণিক মারা যান।
খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মেয়ের লাশ নিয়ে পাবনার সাঁথিয়ায় বাড়ি ফিরছিল একটি পরিবার। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন।
তিনি আরও জানান, নিহত ২ জন এবং অ্যাম্বুলেন্সে থাকা কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স এবং বাস উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।