Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

শিবির নেতা জিসানকে নিয়ে কথা বলা দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন,২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
শিবির নেতা জিসানকে নিয়ে কথা বলা দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী ও অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী ও অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

চিঠির অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ও দায়রা জজ, পাবলিক প্রসিকিউটরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন ও বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা নিয়োগ সংক্রান্ত স্মারকের মাধ্যমে তাদের যে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছিল, নির্দেশিত হয়ে তাদের সেই নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো। তবে ওই চিঠিতে নিয়োগ বাতিলের কোনো নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। 

এর আগে, গত মঙ্গলবার ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার কুমিল্লার আলোচিত শিবির নেতা জিসান প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন ওই দুই আইনজীবী। 

ওইদিন বিকেলে জিসানকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয়। পরে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন বিচারক। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে এপিপি মনির হোসেন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুরু থেকেই পুলিশ মামলা নিয়ে লুকোচুরি খেলছে। মামলার শুনানি করতে আইনজীবীদের ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেওয়ার সুযোগ না দিয়ে পুলিশ জিসানকে কারাগারে নিয়ে গেছে। ধর্ষণ মামলার অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা আদালতে জিসানের সুচিকিৎসার আবেদন করেছি।’ 

অপর এপিপি সাইদুল ইসলামও অনুরূপ বক্তব্য দেন।

অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘অধিকাংশ এপিপি নিজ আদালতের বাইরে আসামি পক্ষে সব ধরনের মামলা পরিচালনা করছেন। এর প্রমাণও আছে। আমরা দুই এপিপি আসামির পক্ষে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতে হয়নি। জিসানের পক্ষে তার ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেছেন। আমরা শুধু আসামির পক্ষে আদালতের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেছিলাম। তবে এ কারণে আমাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে কিনা, চিঠিতে তা স্পষ্ট উল্লেখ নেই।’ কুমিল্লা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ‘আমরা পিপি এবং এপিপিরা কী করতে পারব আর কী করতে পারব না, তা বিধিতে বলা আছে। এপিপিদের সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।’  

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)