Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ মানা হচ্ছে না আম ক্যালেন্ডার

বাইরে হলুদ লোভনীয় রং, আদৌ কি এসব আম পাকা?

বেনাপোল প্রতিনিধি বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ মে,২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে,২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
বাইরে হলুদ লোভনীয় রং, আদৌ কি এসব আম পাকা?

ছবি: ধ্রুব নিউজ

প্রশাসনের আম ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাজারে ‘হিমসাগর’ আসার কথা আগামী সপ্তাহে, অথচ  যশোর ও সাতক্ষীরার সবচেয়ে বড় আম মোকাম বেলতলা বাজার ছেয়ে গেছে এই আমে। বাইরে থেকে হলুদ ও লোভনীয় দেখালেও প্রশ্ন উঠেছে—আদৌ কি এসব আম পাকা? নাকি রাসায়নিক দিয়ে পাকিয়ে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে অপরিপক্ক আম গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্রেতাদের হাতে?

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, অধিক লাভের আশায় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও চাষি প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই অপরিপক্ক আম বাজারজাত করছেন এতে বেলতলার আমের সুনাম ও গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সরেজমিনে বেলতলা আমবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন ভোর থেকেই ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে হিমসাগর আম বাজারে আনা হচ্ছে। এরপর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এসব আম ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বাজারে হিমসাগরের স্তূপ দেখা গেলেও স্থানীয়রা বলছেন, অধিকাংশ আমই পুরোপুরি পরিপক্ক হয়নি। বাজারে আম কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করেন, আমগুলো বাইরে থেকে দেখতে আকর্ষণীয় হলেও ভেতরে কাঁচা ও শক্ত। খাওয়ার পর কোনো স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে না, উল্টো প্রতারিত হওয়ার গ্লানি নিয়ে ফিরতে হচ্ছে।

আমের গুণগত মান রক্ষায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নির্দিষ্ট ‘আম ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা করেছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৬ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ, ১৫ থেকে ২০ মে হিমসাগর, ১৭ মে থেকে ল্যাংড়া, ২৮ মে থেকে আম্রপালি ও মল্লিকা ও ৬ জুন থেকে অন্যান্য জাতের আম পাড়া শুরু হবে।

হিমসাগর আম সংগ্রহের নির্ধারিত সময় এখনো শুরু না হলেও একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও কিছু চাষি বেশি দামের আশায় অপরিপক্ক আম পাড়ছেন। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পাকানোর জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বেলতলা আমবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, মূলত বাজারের চাহিদা ও প্রতিযোগিতার কারণেই তারা আগাম আম সংগ্রহ করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আগেই আমের চাহিদা দিয়ে রাখছেন। বেশি মুনাফার সুযোগ থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছ থেকে আম নামিয়ে বাজারে তুলছেন ব্যবসায়ীরা।

আম ক্যালেন্ডার লঙ্ঘনের বিষয়ে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, আম ক্যালেন্ডারের নির্দেশনা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের আগেই এ বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কোনো বাগানের আম পরিপক্ক হলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যয়ন সাপেক্ষে তা বাজারজাত করা যাবে। এর বাইরে বাজারে অভিযান চালিয়ে অপরিপক্ক আম বিক্রির বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হবে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)