নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: প্রতীকী
চৌগাছার মাড়ুয়া গ্রামের আসাদ খানকে অপহরণ করে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনার ৭ বছর পর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান তবিবুর রহমান খানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী আসাদ খান বাদী হয়ে এ মামলা করেছন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াজ অভিযোগে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন চৌগাছা থানার ওসিকে।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন, মাড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা ও জগদিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তবিবুর রহমান খানের বড় ভাই হাবিবুর রহমান খান ও তার স্ত্রী সাবিনা রহমান খান।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি-জায়গা নিয়ে চেয়ারম্যান তবিবুর রহমান খানের সাথে আসাদ খানের দীর্ঘ দিনের বিরোধ ছিল। আসামি হাবিবুর রহমান খান ও তার স্ত্রীর পরামর্শে ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারি চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আসাদের বাড়ির উঠানে পিলার বসিয়ে প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান তবিবুর ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আসাদকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে মারপিট ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।
পুলিশ খবর পেয়ে আসাদ খানকে উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর আহত আসাদের মা রাহেলা খানম চৌগাছা থানায় মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যান তবিবুর রহমান আওয়ামী লীগ করায় থানা কতৃপক্ষকে মামলা গ্রহণে বাধা দেয়। এ ঘটনায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে জমি উদ্ধার ও আসামিদের হাত থেকে জীবন রক্ষায় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছিল।
সেই থেকে আসাদ খান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে বিএনপি সরকার গঠন করার পর পরিবেশ অনুকুলে আসায় তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।
ধ্রুব/এস.আই