Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

খুলনা বিভাগে আজ  ১১ দলের  লংমার্চ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর,২০২৬, ০৫:৫৭ এ এম
খুলনা বিভাগে আজ  ১১ দলের  লংমার্চ

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর এবার খুলনা বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য। আগামী শনিবার এই কর্মসূচির বহরে এক হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হতে পারে বলে আশা করছেন জামায়াতের নেতারা। কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের প্রত্যাশাও করছেন তারা।

সাত দফা দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। পথসভা ও সমাবেশের স্থানগুলোয় মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্রচারপত্র বিতরণ, মাইকিং ও গণসংযোগ চলছে। আয়োজকদের ভাষ্য, আগের দুটি লংমার্চের তুলনায় এবার তাঁরা বেশি সাড়া পাচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সংবাদমাধ্যমে জানান, ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চে রুটে ১৯টি জেলা পড়েছে। লংমার্চ নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রেঞ্জ ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পথসভা ও সমাবেশের স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, খুলনায় প্রবেশের আগেই বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আশাও করছেন তারা।

বায়তুল মোকাররম থেকে যাত্রা

১১দলীয় ঐক্যের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাতটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে লংমার্চের উদ্বোধন হবে। এতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের।

ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে মাদারীপুর-শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা দিয়ে খুলনা বিভাগের দিকে যাবে গাড়িবহর।  নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ হবে।

এর আগে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করার কথা বলেছিল ১১দলীয় ঐক্য। তবে প্রশাসন আট শর্তে তারে আবরার ফাহা স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেয়।

গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

লংমার্চের পথ গোপালগঞ্জের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা গোপালগঞ্জে গেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার লংমার্চ ঘিরেও কেউ কেউ সংঘাতের আশঙ্কা করছেন।

তবে ১১ লীয় ঐক্যের নেতারা বিষয়টিকে আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন না। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সংবাদমাধ্যমে বলেন, গোপালগঞ্জ বাংলাদেশেরই একটি অংশ। সেখানে বিরোধী দলের লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে। এ কারণে বিরোধী দলের কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। তার দাবি, খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে আগের দুই কর্মসূচির তুলনায় গাড়িবহর ও মানুষের উপস্থিতি বেশি হতে পারে।

সাত দফা দাবিতে রাজনৈতিক চাপ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি সামনে রেখে এই লংমার্চ করছে ১১দলীয় ঐক্য। তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ জ্বালানি গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।

১১ দলের নেতাদের বক্তব্য, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর প্রতিবাদেই রাজপথে কর্মসূচি জোরদার করছেন তারা। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছিল ১১ দলীয় ঐক্য। খুলনা বিভাগের কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)