Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

শাহজালাল বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে ডাকাতি, ভাড়াটে ডাকাতরা ডাকাতি শেষে উড়ে যায় বিদেশে!

ধ্রুব নিউজ ডেস্ক ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর,২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর,২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
শাহজালাল বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে ডাকাতি, ভাড়াটে ডাকাতরা ডাকাতি শেষে উড়ে যায় বিদেশে!

বিশেষত রাতে ফেরা প্রবাসী যাত্রীদের টার্গেট করে ডাকাতি পরিচালনা করে ডাকাতরা ছবি: উইকি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও উত্তরা এলাকাকে ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। পর্দার আড়ালে থাকা প্রভাবশালী মাফিয়াদের নির্দেশে ভাড়াটে ডাকাতরা প্রবাসফেরত যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের নিশানা করে ধারাবাহিক অপরাধ সংঘটিত করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে মানুষকে তুলে নিয়ে সর্বস্ব লুটে নেওয়াই এদের মূল কৌশল। অপরাধ করার পরপরই তারা রাজধানীর বাইরে চম্পট দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করলেও আইনের ফাঁক গলে দ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসে তারা পুনরায় একই অপরাধে যুক্ত হচ্ছে।

​গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, এই চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল মাফিয়ারা সর্বদা আড়ালেই থেকে যায়। তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি বিদেশ থেকেও পেশাদার ডাকাতদের টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে আনে। চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে পথরোধ করে হাতকড়া পরানো বা গাড়িতে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে সবকিছু ছিনিয়ে নেওয়াই এদের কাজ। মালামাল কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছে দেওয়ার পরপরই তারা নগদে চুক্তির টাকা পেয়ে যায় এবং দ্রত ঢাকা ছেড়ে চলে যায়। সম্প্রতি চাঁদপুরের মো. খোরশেদ নামে এক প্রবাসীর সঙ্গে এমন ঘটনাই ঘটে। দুবাই থেকে আসা ১৭ ভরি স্বর্ণ ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শাহবাগ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয় এবং প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ফেলে দেওয়া হয়।

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে আরও উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গ্রেফতারের পর ডাকাতদের জামিনে মুক্ত করার জন্য এক শ্রেণির আইনজীবীর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক যোগাযোগ থাকে তাদের। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে জামিন পাওয়ার শর্তে বাকিতেও আইনি সহায়তা দিয়ে থাকেন এসব আইনজীবী। ফলে পেশাদার এসব অপরাধীদের দমানো কঠিন হয়ে পড়ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবির জানান, অপরাধীরা দূরদূরান্ত থেকে এসে ঘটনা ঘটিয়েই দ্রুত ঢাকার বাইরে পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতার করা হলেও আইনের জটিলতায় জামিনে বেরিয়ে তারা আবারও অপরাধে জড়ায়। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ানোর ফলে বর্তমানে এ ধরনের অপরাধ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে তিনি জানান।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)