ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, “বঙ্গোপসাগর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে চলেছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে আমাদের সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতি পুরো বিশ্বের সাথে যুক্ত হতে পারে।
“জাহাজ চলাচল, মৎস্য সম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আঞ্চলিকভাবে আমাদের এই অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করতে হবে। আর সেজন্য প্রয়োজন আরও গভীর দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা।”
শনিবার সকালে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য কার্ডের সমন্বয়ে একটি ইউনিভার্সেল কার্ড প্রত্যেক নাগরিককে দিতে চায়। এছাড়া শিশুদের জন্য আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই। শুধু সার্টিফিকেটের জন্য নয়। এর জন্য শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, মিড ডে মিলসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের তরুণদের যোগ্য করে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা, বাকস্বাধীনতাও নিশ্চিত করছে সরকার।
এসময় সংলাপ, অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি, জলবায়ু, মানবনিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সুশাসনসহ সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর আয়োজনে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’। এবারের সম্মেলনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০-এর বেশি প্রতিনিধি এবং এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নেবেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।