Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ টোকিও এলএনজি কনফারেন্স

এলএনজি সরবরাহে নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অমিত

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
এলএনজি সরবরাহে নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অমিত

জাপানে আয়োজিত ‘১৫তম এলএনজি প্রোডিউসার-কনজ্যুমার কনফারেন্স ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে আয়োজিত ‘১৫তম এলএনজি প্রোডিউসার-কনজ্যুমার কনফারেন্স ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আজ শুক্রবার টোকিওতে দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'অ্যাডভান্সিং এলএনজি ফর দ্য ফিউচার: রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড রিলায়েবিলিটি'।
বক্তব্যের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থায় ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং বাজার অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি নিরাপত্তাকে কেবল জ্বালানি প্রাপ্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। আধুনিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ খাতে নির্ভরযোগ্যতা, বৈচিত্র্যকরণ, সাশ্রয়ী মূল্য এবং নমনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, শিল্পায়ন, নগরায়ন এবং বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে জ্বালানি ব্যবহার দ্রুত বেড়ে চলেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার প্রস্তুতকরণ, শিল্পকারখানা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রাকৃতিক গ্যাস একটি অপরিহার্য উপাদান হলেও দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন দিয়ে এই বর্ধিত চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি এখন বাংলাদেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ-এর মাধ্যমে দৈনিক ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে এবং দেশের বার্ষিক এলএনজি চাহিদা প্রায় ৭ মিলিয়ন টন। এ চাহিদা মেটাতে অবকাঠামো সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে মহেশখালীতে অতিরিক্ত ৬০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন আরো একটি এফএসআরইউ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মাতারবাড়ীতে ১ হাজার এমএমসিএফডি ক্ষমতার ল্যান্ড-বেসড টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ২০২৬-৩০ মেয়াদে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ এমটিপিএ এবং ২০৩১-৪০ মেয়াদে তা ১৭ থেকে ১৮ এমটিপিএ-তে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, সরবরাহ চেইনের বৈচিত্র্যকরণ এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জি-টু-জি, আন্তর্জাতিক দরপত্র (আরএফকিউ) এবং সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির (ডিপিএম) মাধ্যমে বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার একটি স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন করেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি ঘোষিত 'বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬' (যা ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উন্মুক্ত রয়েছে)-এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ মুনাফা স্থানান্তর, কর পরিশোধে সরকারি সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদী রাজস্ব স্থিতিশীলতার মতো আকর্ষণীয় সুযোগ রাখা হয়েছে।

বক্তব্যে বিশ্ব জ্বালানি বাজারের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ পারস্পরিক অংশীদারত্ব ও সহযোগিতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যৎ গঠনে বন্ধুভাবাপন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)