Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চালু হচ্ছে খুলনার স্টার ও প্লাটিনাম জুটমিল, দীর্ঘমেয়াদি লিজ পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল ও হ্যামকো গ্রুপ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট,২০২৬, ০৮:১২ পিএম
চালু হচ্ছে খুলনার স্টার ও প্লাটিনাম জুটমিল, দীর্ঘমেয়াদি লিজ পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল ও হ্যামকো গ্রুপ

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে মিলগুলো দীর্ঘমেয়াদি লিজ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি) এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের মধ্যে এই লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড এবং খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে। অন্যদিকে, হ্যামকো গ্রুপ লিজ নিয়েছে খুলনার প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড। রাজধানীর সরকারি পর্যায়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজেএমসির পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর পর এই তিনটি মিলে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এর ফলে নতুন করে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।

জাতীয় জুট মিলস (সিরাজগঞ্জের রায়পুর): এই মিলে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান হবে এবং বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হতে পারে।

স্টার জুট মিলস (খুলনার দিঘলিয়া): এই মিলে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এর মাধ্যমে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বার্ষিক টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস (খুলনার খালিশপুর): এই মিলে প্রায় ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। মিলটি চালু হলে অন্তত ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ১৭৫ কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভার অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি মিল ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিজগ্রহীতাদের কাছে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৯টি মিলে ইতোমধ্যে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ বিজেএমসি এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পগোষ্ঠীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)