Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

গণভোট অধ্যাদেশসহ২০টি বাতিলের সুপারিশ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল,২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:২০ পিএম
গণভোট অধ্যাদেশসহ২০টি বাতিলের সুপারিশ

জাতীয় সংসদের অধিবেশন ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। প্রতিবেদনে ২০টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত বা বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ কার্যকারিতা ও সংশোধনের বিষয়ে বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্যালোচিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। ১৫টি অধ্যাদেশ প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যকর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত বা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটি যে ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত হলেও পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করবে। চারটি অধ্যাদেশ স্থায়ীভাবে বাতিল ও সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, গণভোট অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। অন্য ১৬টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই–বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশসহ ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু বিল আকারে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ম অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে (১২ মার্চ) উপস্থাপন করা হয়। পরে এগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ।

বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ সংসদে হুবহু বিল আকারে তোলা এবং ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল তোলার জন্য সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি। অন্য ২০টির মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। চারটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য এখনই সংসদে বিল আনয়নের সুপারিশ করা হয়েছে।
 
অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদিত হচ্ছে না। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় শেষে এগুলোর কার্যকারিতা লোপ পাবে। সংবিধানে বলা আছে, কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন করা না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পাবে।

এর মধ্যে মোট ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটিতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য।
যে চারটি রহিত করার সুপারিশ
চারটি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।

সংবিধানে বিচারক নিয়োগে আইন করার কথা থাকলেও এত দিন এটা হয়নি। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ করেছিল। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করবে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে স্বতন্ত্র এই কাউন্সিল যোগ্য ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতি বরাবর সুপারিশ করবে।

অন্যদিকে অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ–সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে এই সচিবালয়।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

এ দুটি অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট আছে জামায়াতে ইসলামীর। বিশেষ কমিটিতে দলটির তিন সদস্য নোট অব ডিসেন্ট দেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এসব অধ্যাদেশ জারি করেছিলফাইল ছবি: বাসস
যে ১৬টি পরবর্তী সময়ে যাচাই–বাছাই
১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়। সেগুলোর মধ্যে আছে ২০২৪ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ সালের রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সালের গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ ও তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ। এগুলো নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত আছে।

পরবর্তী সময়ে বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা অন্য অধ্যাদেশগুলো হলো মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশ। এগুলো নিয়ে জামায়াতের ভিন্নমত নেই।

এর মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট করার লক্ষ্যে গণভোট অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। আর দুদকের তদন্ত ও গোপন অনুসন্ধান ক্ষমতা বাড়িয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করা হয় ২০২৫ সালে। এতে সরাসরি এজাহার দায়েরের বিধান, বিদেশে সংঘটিত অপরাধসহ গুরুতর আর্থিক অপরাধকে আইনের আওতায় আনা, কমিশনের সদস্য বাড়ানোর বিধান করা হয়।

রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বিদ্যমান কাঠামো পুনর্গঠন করে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পৃথক করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়। এটি নিয়ে কর্মকর্তারা আন্দোলনে নেমেছিলেন।

২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে এটি করা। এটি এখনো কার্যকর হয়নি।
৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাসের সুপারিশ
যে অধ্যাদেশগুলো পাস করানোর জন্য হুবহু বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে আছে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কিছু অধ্যাদেশ আছে। বিশেষ পরিস্থিতি ও জনস্বার্থে প্রশাসক নিয়োগের বিধান করা হয়। এ ক্ষেত্রে জামায়াতের আপত্তি আছে।

এ তালিকায় আছে বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স ২০২৪, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতির পিতার পরিবার–সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, বিশ্ববিদ্যালয়–সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ (বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ হাসিনা ইত্যাদি নামের পরিবর্তন)। গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় সংসদের সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ। এ ছাড়া বেশ কিছু অধ্যাদেশ আছে, যেগুলো নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত।
সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ
১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কোথায় কী সংশোধনী আনা হবে, তা বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এগুলো হলো ২০২৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ।
এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংশোধন করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশে কোনো নিদিষ্ট সত্তার কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয় এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তার মিছিল–মিটিং, প্রকাশনাসহ যেসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে তার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এটি সংশোধিত আকারে সংসদে পাস করার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কী সংশোধন করা হবে, তার উল্লেখ করা হয়নি।

বাছাই কমিটির মাধ্যমে একটি পুলিশ কমিশন গঠন এবং কমিশন পুলিশের মহাপরিদর্শক নিয়োগের সুপারিশ করবে, নাগরিকদের অভিযোগ ও পুলিশের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিয়ে কাজ করবে—এই লক্ষ্যে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এটি সংশোধিত আকারে সংসদে পাস করার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর নোট অব ডিসেন্ট আছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)