ধ্রুব ডেস্ক
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
“সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেখলাম, এখন সঠিক সময়, তাই পদত্যাগ,” করেছি।
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘‘আমি চেষ্টা করেছি ব্যাংকটিকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার। অনেকটা সফল হওয়ায় সোনালী ব্যাংক এখন লাভের মুখে। পরের নেতৃত্ব এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে প্রত্যাশা করছি।’’
সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই পদত্যাগ করার চিন্তা করছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, “সার্বিক বিবেচনায় নিয়ে দেখলাম, এখন রাইট টাইম, তাই পদত্যাগ।’’
তিনি এর আগে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় মুসলিম চৌধুরীকে।
মুসলিম চৌধুরী ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে যোগদান করে কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস, কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স ও অর্থ বিভাগের উপসচিব, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে ২০১৬ সালে রিজার্ভ চুরির ঘটনার সময়ে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে ফজলে কবিরকে গর্ভনর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে মুসলিম চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছিল।
দুটি বিদেশি শাখাসহ ১ হাজার ২৩৪ টি শাখার সবচেয়ে বড় ব্যাংকটি ২০২৫ সালে পরিচালন মুনাফা করে ৮ হাজার ১৭ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের চেয়ে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা বেশি।
একই সময়ে আমানত বেড়ে হয় ১ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২৪ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।
ঋণ বিতরণ ২০২৪ সালের তুলনায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বেড়ে স্থিতি দাঁড়ায় ১ লাখ ৪ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা।