Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মহাকাশে সামরিক অস্ত্রের উপস্থিতি প্রকাশ্যে স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১১:৪৩ এ এম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
মহাকাশে সামরিক অস্ত্রের উপস্থিতি প্রকাশ্যে স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রতীকী ছবি ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব রাজনীতি ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব মোড় ঘুরিয়ে মহাকাশের কক্ষপথে নিজেদের সামরিক অস্ত্র মোতায়েনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেঙ্ক সম্প্রতি এক সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে, প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থেই মহাকাশে এই পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক হয়ে পড়েছিল। বিমান, মহাকাশ ও সাইবার বিষয়ক ঐ আয়োজনে মেঙ্ক জানান, সময়ের সাথে সাথে মার্কিন বাহিনীর প্রতি আসা নতুন হুমকি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত ওয়াশিংটন। তবে সেখানে ঠিক কোন প্রযুক্তির অস্ত্র কিংবা কত দিন আগে থেকে এগুলো মোতায়েন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।

​মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম’ শীর্ষক বিশ্বমানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মহাকাশভিত্তিক এ ধরনের প্রযুক্তি ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো আকাশপথ বা কক্ষপথ থেকে আসা যে কোনো ধরণের মিসাইল ও অন্যান্য বড় হুমকি নস্যাৎ করে দেওয়া। যদিও ১৯৬৭ সালের আন্তর্জাতিক মহাকাশ চুক্তি অনুযায়ী কক্ষপথে কোনো ধরনের গণবিধ্বংসী বা পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তবে আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলো নিজেদের যোগাযোগ ও গোয়েন্দা স্যাটেলাইটকে সুরক্ষার ছায়াতলে আনতেই মূলত ব্যাকআপ অস্ত্র স্থাপন চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও রাশিয়া ও চীন এই প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

​মার্কিন স্পেস ফোর্সের এক মুখপাত্রের সূত্রে জানা যায়, প্রয়োজন মনে করলে তারা প্রতিপক্ষের সামরিক শক্তি নিষ্ক্রিয়, বিকল বা সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে কাইনেটিক (সরাসরি আঘাত হানা) ও নন-কাইনেটিক (যেমন- সাইবার বা লেজার) উভয় পদ্ধতিই প্রয়োগ করতে পারে। উচ্চপর্যায়ের কমান্ডারের নির্দেশনা পাওয়ার সাপেক্ষে এসব প্রযুক্তি আক্রমণাত্মক ও আত্মরক্ষামূলক—দুই ধরনের কাজেই ব্যবহৃত হতে পারে। ২০১৯ সালে গঠিত আমেরিকার এই মহাকাশ বাহিনী এতদিন প্রধানত নিজস্ব স্যাটেলাইটের নজরদারিতে কাজ করলেও, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক নির্বাহী আদেশে এদের আত্মরক্ষার বাইরে গিয়ে সরাসরি আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালনেরও কর্তৃত্ব প্রদান করা হয়।

​মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, বর্তমানে রাশিয়া ও চীন তাদের সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। ২০২৪ সালে রাশিয়া অন্য স্যাটেলাইটে হামলার উপযোগী কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায় বলে অভিযোগ করে মার্কিন প্রশাসন। এছাড়া ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ান উপগ্রহের মাধ্যমে ইউরোপের প্রায় এক ডজন স্যাটেলাইটের সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তথ্য রয়েছে। এই ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখেই যুক্তরাষ্ট্র এবার প্রকাশ্যে তাদের মহাকাশভিত্তিক অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি খোলাসা করল।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)