ক্রীড়াডেস্ক
হ্যারি কেইন ছবি: গোল ডটকম
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দিকের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা ইংল্যান্ডের জন্য বুধবারের রাতটি ছিল অগ্নিপরীক্ষার। আটলান্টায় ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা। বিশ্বকাপের শোচনীয় ফর্মের পর টমাস টুখেলের শিষ্যদের জন্য এই জয় যেন এক বড় স্বস্তি।
ম্যাচের শুরুটা ইংল্যান্ডের জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। সপ্তম মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে ডিআর কঙ্গো এগিয়ে যায়। গোল হজমের পর ইংলিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছুটা হতবিহ্বল ভাব লক্ষ্য করা যায় এবং প্রথমার্ধে তারা পাস গুছিয়ে খেলতেও হিমশিম খাচ্ছিল। ৩০ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের একটি হেড ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি রুখে দিলে সমতায় ফেরার প্রথম সুযোগটি হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের। এরপর মার্কাস রাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। প্রথমার্ধের শেষদিকে কেইন পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি তা নাকচ করে দেন।
বিরতির পর ইংল্যান্ড মরিয়া হয়ে ওঠে। এমপাসির দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের কারণে বেলিংহ্যাম ও রাশফোর্ড বারবার ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা অ্যান্থনি গর্ডন। গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে কেইন সমতা ফেরান।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখন ত্রাতা হয়ে ফের সামনে আসেন কেইন। ৮৬ মিনিটে বেলিংহ্যামের শট এমপাসি আটকে দিলেও গর্ডন ফিরতি বল নিয়ন্ত্রণে নেন। তার বাড়ানো বল থেকে কেইন তার অপ্রতিরোধ্য ফিনিশিংয়ে জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে রবিবার সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেল ইংল্যান্ড। বর্তমান পারফরম্যান্সের বিচারে এই জয় টুখেলের দলকে নতুন আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।